বাবাকে খুব বেশি মনে পড়ে : কপিল শর্মা

পাঞ্জাবের অমৃতসরের অলিগলি থেকে মুম্বাইয়ের মায়ানগরী এই পথচলাটা মোটেও মসৃণ ছিল না কপিল শর্মার জন্য। সাফল্যের শিখরে উঠেও ডিপ্রেশনের অতল গহ্বরে তলিয়ে যাওয়া, ব্যক্তিগত শোক আর তীব্র বিতর্কের মুখেও দমে যাননি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন এই কমেডি কিং।
ক্যানসারে আক্রান্ত পুলিশ কনস্টেবল বাবা জিতেন্দ্র কুমার শর্মার প্রয়াণে এলোমেলো হয়ে গিয়েছিল কপিলের জগত। সাক্ষাৎকারে কপিল বলেন, ‘অতীত বদলানো যায় না। ‘দ্য গ্রেট ইন্ডিয়ান লাফটার চ্যালেঞ্জ’ জেতার পর যখন ১০ লাখ টাকার চেক হাতে পেলাম, তখন আনন্দ নয় বরং কান্নায় ভেঙে পড়েছিলাম। মনে হয়েছিল, আজ যদি বাবা থাকতেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার শো শুরু হওয়ার পর একদিন রাতে রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে দেখছিলাম চারপাশের সব বাড়িতে টিভি চলছে, হাসির শব্দ ভেসে আসছে। সেই মুহূর্তগুলোতে বাবাকে খুব বেশি মনে পড়ে।’
তার কথায়, ‘৩৬ বছর বয়সে আমি চরম ডিপ্রেশনে ভুগেছিলাম। মানুষ বলত, ‘কপিলের সব শেষ’। কিন্তু সেখান থেকেও ঘুরে দাঁড়িয়েছি। বিয়ে করলাম, এরপর ৩০০-র বেশি এপিসোড করেছি।’
কপিল মুম্বাই এসেছিলেন গায়ক হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে। কিন্তু নিয়তি তাকে নিয়ে যায় হাস্যকৌতুকের মঞ্চে। ২০০৭ সালে কমেডি রিয়েলিটি শো জেতার পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। ২০১৩ সালে নিজের প্রযোজনা সংস্থা থেকে শুরু করেন ‘কমেডি নাইটস উইথ কপিল’, যা তাকে ভারতের ঘরে ঘরে জনপ্রিয় করে তোলে।
২০১৫ সালে ‘কিস কিসকো পেয়ার করু’ দিয়ে বলিউডে ডেবিউ করেন কপিল। এরপর ‘ফিরঙ্গি’, ‘জ্যিগাটো’ ও ‘ক্রু’-এর মতো সিনেমায় তার অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে। সম্প্রতি বড় পর্দায় দেখা গেছে ‘কিস কিসকো পেয়ার করু ২’ ছবিতে। বর্তমানে তিনি ব্যস্ত ওটিটি প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্সে ‘দ্য গ্রেট ইন্ডিয়ান কপিল শো’ নিয়ে।
এমআইকে