ফের বিতর্কে যশের ‘টক্সিক’

দক্ষিণী সুপারস্টার যশের আগামী ছবি ‘টক্সিক: এ ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন-আপ্স’ নিয়ে আলোচনা থামছেই না। প্রথম ঝলক প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই দানা বেঁধেছিল বিতর্ক, আর দ্বিতীয় ঝলক মুক্তি পেতেই তা যেন আরও উসকে গেল।
হিংসা, রক্তারক্তি আর উদ্দাম যৌনতায় ঠাসা এই ঝলক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা। ছবির নতুন ঝলকের কেন্দ্রবিন্দুতে কেবলই যশ। সেখানে তাকে কখনও রাগে হুঙ্কার দিতে দেখা যাচ্ছে, আবার কখনও তিনি ব্যস্ত ধূমপানে।
কখনও শয্যাসঙ্গিনীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে, আবার কখনও মেতে উঠছেন বীভৎস হত্যালীলায়। বিড়ম্বনার বিষয় হলো, যশের মুখে অন্যদের ‘সুষ্ঠু আচরণের’ পরামর্শ শোনা গেলেও গোটা ঝলকে নারীদের উপস্থিতি কেবল তার শয্যাসঙ্গিনী হিসেবেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।
ছবিটিতে নয়নতারা, কিয়ারা আডবাণী ও তারা সুতারিয়ার মতো প্রথম সারির অভিনেত্রীরা থাকলেও ঝলকে তাদের কাউকেই দেখা যায়নি। এই বিষয়টি ঘিরেই নেটিজেনদের বড় একটি অংশ ক্ষুব্ধ। নারী চরিত্রের এমন গৌণ উপস্থাপন দেখে অনেকেই ছবিটির বিরুদ্ধে ‘উগ্র পৌরুষ’ বা ‘টক্সিক ম্যাসকুলিনিটি’ প্রচারের অভিযোগ তুলেছেন।
বিতর্কের তির এবার সরাসরি বিঁধছে ছবির নারী পরিচালক গীতু মোহনদাসকে। একজন নারী হয়েও তিনি কীভাবে পর্দায় উগ্র পৌরুষের মহিমা কীর্তন করছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন চলচ্চিত্র প্রেমীরা। এক নেটাগরিক কটাক্ষ করে লিখেছেন, ‘গাড়ির ভেতর এক নারীর সঙ্গে অন্তরঙ্গের পর লড়াইয়ে নামছেন নায়ক। যেন তাকে আরও শক্তিশালী করে তুলছে! অথচ সেখানে নারীর ভূমিকা কেবল শয্যাতেই সীমাবদ্ধ।’
এমআইকে