• সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • সারাদেশ
    জেলার খবর
  • খেলা
  • বিনোদন
  • জবস

বিজ্ঞাপন

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো. কামরুল ইসলাম

গোপনীয়তার নীতিব্যবহারের শর্তাবলিযোগাযোগআমাদের সম্পর্কেআমরাআর্কাইভবিজ্ঞাপন

৯৫ সোহরাওয়ার্দী এভিনিউ, বারিধারা ডিপ্লোমেটিক জোন, ঢাকা ১২১২।

+৮৮০ ৯৬১৩ ৬৭৮৬৭৮

phone+৮৮০ ১৩১৩ ৭৬৭৭৪২

whatsapp+৮৮০ ১৭৭৭ ৭০৭৬০০

info@dhakapost.com

বিজ্ঞাপন

  1. এক্সক্লুসিভ

নিঃস্ব হচ্ছেন খামারি : কাদের হাতে ডিম-মুরগির বাজারের অদৃশ্য নিয়ন্ত্রণ?

রাকিবুল হাসান তামিম
রাকিবুল হাসান তামিম
১৪ মার্চ ২০২৬, ১৫:১৬
অ+
অ-
নিঃস্ব হচ্ছেন খামারি : কাদের হাতে ডিম-মুরগির বাজারের অদৃশ্য নিয়ন্ত্রণ?

টানা লোকসান, বাজারে অঘোষিত সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণ এবং করপোরেট কোম্পানির আগ্রাসনে দেশের প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার পোল্ট্রি শিল্প এখন গভীর সংকটে। মুরগির বাচ্চার দাম ১০৫ টাকায় ঠেকিয়ে দিয়ে এক অদৃশ্য হাত যখন বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে, তখন হালিপ্রতি ডিমে ১২ টাকা লোকসান গুনে নিঃস্ব হচ্ছেন লাখ লাখ প্রান্তিক খামারি। টিকে থাকতে না পেরে একের পর এক খামার বন্ধ করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।

বিজ্ঞাপন

খাত সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ছোট ও মাঝারি খামারগুলো একে একে বিলুপ্ত হয়ে যাবে। পুরো পোল্ট্রি শিল্প চলে যাবে গুটিকয়েক করপোরেট প্রতিষ্ঠানের কবজায়, যার বিরূপ প্রভাব পড়বে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও ভোক্তা বাজারে।

মাঠপর্যায়ের খামারিরা জানান, গত চার মাস ধরে ডিম বিক্রি করে উৎপাদন খরচও তুলতে পারছেন না তারা। বর্তমানে একটি ডিম উৎপাদনে গড়ে খরচ হচ্ছে প্রায় সাড়ে ৯ টাকা, অথচ বাজারে তা বিক্রি করতে হচ্ছে মাত্র সাড়ে ৬ টাকায়। অর্থাৎ প্রতিটি ডিমে ৩ টাকা করে লোকসান হচ্ছে। দীর্ঘদিন এই পরিস্থিতি চলায় খামারিরা অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু হয়ে গেছেন। ঋণের চাপে অনেকেই এখন এলাকাছাড়া।

পোল্ট্রি শিল্পে অঘোষিত সিন্ডিকেট ও করপোরেট আগ্রাসনের ফলে দিশেহারা প্রান্তিক খামারিরা। একটি ডিম উৎপাদনে গড়ে সাড়ে ৯ টাকা খরচ হলেও বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে মাত্র সাড়ে ৬ টাকায়। হালিপ্রতি ১২ টাকা লোকসান গুনে পুঁজি হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছেন লাখ লাখ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, যার ফলে ‘ডিমের রাজধানী’ খ্যাত অঞ্চলগুলোতেও শত শত খামার বন্ধ হয়ে যাচ্ছে

বিজ্ঞাপন

dhakapost

ডিমের রাজধানীতে রাজ্যের হতাশা

টাঙ্গাইল জেলা বাংলাদেশের ডিম উৎপাদনের অন্যতম প্রধান ‘হাব’। এখানকার ভূঞাপুর, ঘাটাইল ও মধুপুর উপজেলা থেকে প্রতিদিন প্রায় ১১ লাখ ডিম ঢাকার বাজারে সরবরাহ করা হয়। কিন্তু সম্প্রতি ভূঞাপুরের বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে চরম হতাশার চিত্র। এক সময়ের ‘ডিমের রাজধানী’ খ্যাত এই অঞ্চলের বহু খামার এখন বন্ধ। যেখানে মুরগির ডাকে মুখর থাকত চারপাশ, সেখানে এখন কেবল নীরবতা।

স্থানীয়দের মতে, পোল্ট্রি খাত ঘিরে এই অঞ্চলে যে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছিল, বাজার অস্থিরতা ও খরচ বৃদ্ধির কারণে তা এখন বিলীন হওয়ার পথে। ভূঞাপুরের গোবিন্দাসী ইউনিয়নের রবিউল ইসলাম চকদার আগে নিজের খামারে স্বচ্ছল জীবন কাটাতেন। আজ তিনি এক ভবনের দারোয়ানের চাকরি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। রবিউল আক্ষেপ করে বলেন, ‘যৌবনের সব শক্তি দিয়ে খামার গড়েছিলাম। ভেবেছিলাম সুদিন আসবে, কিন্তু উল্টো আজ আমি নিঃস্ব হয়ে অন্যের বাড়িতে চাকরি করছি।’

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

ফের সিন্ডিকেট আতঙ্ক: সক্ষমতা ছাড়াই মুরগির বাচ্চা আমদানি বন্ধের সিদ্ধান্ত
প্রণোদনা লোপাটের কৌশল, নাকি কালো টাকা সাদা করার প্রক্রিয়া?
বড় কোম্পানিগুলো মুরগির বাচ্চা, খাদ্য ও ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণ করায় প্রান্তিক খামারিরা তাদের ওপর জিম্মি হয়ে পড়েছেন। বিশেষ করে ‘কন্ট্রাক্ট ফার্মিং’-এর মাধ্যমে খামারিদের স্বাধীনভাবে ব্যবসা করার পথ রুদ্ধ করা হচ্ছে। দ্রুত সরকারি হস্তক্ষেপ ও কার্যকর নীতিমালা না নিলে এই বিশাল শিল্প গুটিকয়েক করপোরেট প্রতিষ্ঠানের হাতে চলে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে
সিন্ডিকেটের কবলে দেশের পোল্ট্রি শিল্প। লোকসান গুনে নিঃস্ব হচ্ছেন লাখ লাখ প্রান্তিক খামারি / ছবি- ঢাকা পোস্ট

আরেক খামারি খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম জানান, চলতি (মার্চ) মাসে তিনি ডিম বিক্রি করেছেন প্রতি পিস সাড়ে ৬ টাকায়। অথচ প্রতিটি ডিম উৎপাদনে তার খরচ হয়েছে প্রায় সাড়ে ৯ টাকা। ‘১০৫ টাকা দিয়ে বাচ্চা কিনে ১৮ সপ্তাহ লালন-পালন করার পর এখন লোকসান দিতে হচ্ছে। হালিপ্রতি যেখানে আমাদের কাছ থেকে নেওয়া হচ্ছে ২৪-২৬ টাকা, খুচরা বাজারে সেই ডিম বিক্রি হচ্ছে ৩৫-৪০ টাকায়। মাঝখানের এই বিশাল মুনাফা লুটে নিচ্ছে মধ্যস্বত্বভোগী ও অদৃশ্য সিন্ডিকেট’— অভিযোগ করেন তিনি।

করপোরেট কোম্পানির দখলে বাজার

খামারিদের অভিযোগ, বড় করপোরেট কোম্পানিগুলো মুরগির খাদ্য, ওষুধ এবং বাচ্চার বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। ফলে প্রান্তিক খামারিরা এসব কোম্পানির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন খামারি জানান, অনেক সময় করপোরেট কোম্পানিগুলো ‘কন্ট্রাক্ট ফার্মিং’-এর মাধ্যমে খামারিদের সঙ্গে চুক্তি করে। এই চুক্তির আওতায় খাদ্য, ওষুধ এবং বাচ্চা সরবরাহ করা হলেও খামারিরা স্বাধীনভাবে বাজারে ডিম বিক্রি করতে পারেন না।

আরও পড়ুন

কৃষিতে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ বিপ্লব, মাঠজুড়ে এখন প্রযুক্তির হাসি
পচা ডিম ও বাসি রুটির স্কুল ফিডিং, তবুও সারাদেশে সম্প্রসারণের ছক!
সরকারের ‘কৃষক কার্ড’ উদ্যোগের আওতায় যেন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পোল্ট্রি খামারিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এছাড়া সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা ও ভর্তুকি দেওয়ার পাশাপাশি বাজার ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে। এতে গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা সচল হওয়ার পাশাপাশি ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবেমোশারফ হোসেন চৌধুরী, সভাপতি, বিপিআইএ
ডিমের হালিপ্রতি ১২ টাকা লোকসান; অস্তিত্ব সংকটে ৫০ হাজার কোটি টাকার শিল্প / ছবি- ঢাকা পোস্ট

জেলার শোয়াইব আহমেদ নামের একজন খামারি বলেন, ‘কন্ট্রাক্ট ফার্মিংয়ের মাধ্যমে আমাদের এমনভাবে বেঁধে ফেলা হয় যে আমরা স্বাধীনভাবে ব্যবসা করতে পারি না। খাদ্য ও ওষুধ তাদের কাছ থেকেই কিনতে হয়, আবার ডিমও তাদের নির্ধারিত দামে বিক্রি করতে হয়।’

বাজারের এই অসম লড়াইয়ের পাশাপাশি চিকিৎসাসেবার সংকট খামারিদের মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে। খামারিদের দাবি, সময়মতো সরকারি চিকিৎসা বা কারিগরি সহায়তা না পাওয়ায় রোগ ছড়িয়ে অনেক সময় হাজার হাজার মুরগি মারা যাচ্ছে। এই বিপদে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর থেকে কোনো কার্যকর সহযোগিতা পাওয়া যায় না বলেও তারা অভিযোগ করেন।

পুরোপুরি করপোরেট নিয়ন্ত্রণে যাচ্ছে পোল্ট্রি খাত

খাত সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, দেশে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে ৬০ থেকে ৭০ লাখ মানুষের জীবিকা নির্ভর করছে পোল্ট্রি শিল্পের ওপর। কয়েক বছর আগেও দেশে প্রায় এক লাখের বেশি পোল্ট্রি খামার সক্রিয় ছিল বলে ধারণা করা হয়। বর্তমানে দেশে প্রতিদিন চার থেকে সাড়ে চার কোটি ডিম উৎপাদিত হয়, যা দেশের প্রাণিজ প্রোটিনের অন্যতম প্রধান উৎস।

আরও পড়ুন

ডিম-পেঁয়াজের চড়া দাম : রান্নায় ব্যবহার সীমিত করছেন গৃহিণীরা
চকচকে রূপ পানসে স্বাদ, আগাম আমের বাজারে চরম ঠকবাজি
একবার লোকসানের কারণে ছোট খামার বন্ধ হয়ে গেলে তারা আর সহজে উৎপাদনে ফিরতে পারেন না। অথচ বড় খামার মালিকেরা সহজে সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও ঋণ পেয়ে থাকেন। তাই প্রান্তিক খামারিদেরও সরকারি সহায়তা ও প্রণোদনার আওতায় আনা প্রয়োজনড. জাহাঙ্গীর আলম, কৃষি অর্থনীতিবিদ
ডিমের রাজধানীতে (টাঙ্গাইল) হাহাকার, সিন্ডিকেট ও উৎপাদন খরচের চাপে তালা ঝুলছে শত শত খামারে / ছবি- ঢাকা পোস্ট

বর্তমান অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিআইএ) সভাপতি মোশারফ হোসেন চৌধুরী বলেন, বিগত দুই যুগের বেশি সময় ধরে প্রান্তিক খামারিদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও ত্যাগের বিনিময়ে দেশে প্রাণিজ আমিষের অন্যতম উৎস ডিম ও মুরগি সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রয়েছে। তাদের হাত ধরেই আজ দেশে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশাল পোল্ট্রি শিল্প দাঁড়িয়েছে। অথচ পরিতাপের বিষয়, এই শিল্পের কারিগররাই আজ সবচেয়ে বেশি উপেক্ষিত, বঞ্চিত ও অসহায় অবস্থায় দিনাতিপাত করছেন।

তিনি বলেন, প্রান্তিক খামারিদের যদি আমরা টিকিয়ে রাখতে না পারি, তবে দেশের পোল্ট্রি খাত গভীর সংকটে পড়বে। গুটিকয়েক করপোরেট কোম্পানির কাছে জিম্মি হয়ে যাবে গোটা শিল্প। ফলে ভোক্তারা চরম বিপাকে পড়বেন এবং সিন্ডিকেটের বেঁধে দেওয়া চড়া দামেই ডিম ও মুরগি কিনে খেতে হবে। এই সংকট নিরসনে দ্রুত সময়ের মধ্যে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

বর্তমান সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মোশারফ হোসেন চৌধুরী বলেন, সরকারের ‘কৃষক কার্ড’ উদ্যোগের আওতায় যেন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পোল্ট্রি খামারিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এছাড়া সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা ও ভর্তুকি দেওয়ার পাশাপাশি বাজার ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে। এতে গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা সচল হওয়ার পাশাপাশি ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। খামারিদের সুরক্ষায় ভিন্নধর্মী বাজার পলিসির ব্যবস্থা করতে হবে। অন্যদিকে, বড় করপোরেট খামারিদের ওপর ভিন্ন হারে ট্যাক্স ধার্য করতে হবে, যাতে ক্ষুদ্র খামারিরা প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারে। একই সঙ্গে খামার থেকে বাজার পর্যন্ত মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য ও চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবিও জানান তিনি।

আরও পড়ুন

‘সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য না কমলে প্রান্তিক খামারি থাকবে না’
গরমে মারা যাচ্ছে মুরগি, বড় লোকসানে খামারিদের মাথায় হাত
মুরগির বাচ্চায় সিন্ডিকেট, দৈনিক হাতিয়ে নিচ্ছে সাড়ে ৬ কোটি টাকা
সাম্প্রতিক সময়ে আগের তুলনায় পোল্ট্রি খামারের সংখ্যা কমেছে। খাতটির সুরক্ষায় নতুন নীতিমালা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছেপ্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. এ বি এম খালেদুজ্জামান
dhakapost
অদৃশ্য নিয়ন্ত্রণে জিম্মি বাজার। গুটিকয়েক কোম্পানির হাতে চলে যাচ্ছে ডিম-মুরগির পুরো শিল্প / ছবি- ঢাকা পোস্ট

এদিকে, বর্তমান পরিস্থিতিতে খামারিদের জন্য নীতিগত সহায়তা বাড়ানো প্রয়োজন বলে মনে করছেন কৃষি অর্থনীতিবিদ এবং বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক ড. জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বলেন, ‘বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো বড় পরিসরে উৎপাদন করায় তাদের খরচ কম হয়। কিন্তু ছোট খামারিদের উৎপাদন খরচ তুলনামূলক বেশি হওয়ায় তারা সহজেই লোকসানে পড়েন। আর একবার লোকসানের কারণে ছোট খামার বন্ধ হয়ে গেলে তারা আর সহজে উৎপাদনে ফিরতে পারেন না। অথচ বড় খামার মালিকেরা সহজে সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও ঋণ পেয়ে থাকেন। তাই প্রান্তিক খামারিদেরও সরকারি সহায়তা ও প্রণোদনার আওতায় আনা প্রয়োজন।

অন্যদিকে, খামার কমার বিষয়টি স্বীকার করে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. এ বি এম খালেদুজ্জামান বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে আগের তুলনায় পোল্ট্রি খামারের সংখ্যা কমেছে। খাতটির সুরক্ষায় নতুন নীতিমালা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।’ 

আরএইচটি/এমএআর/ 

অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়সরকারদুধ ডিমের বাজার

ফলো করুন

MessengerWhatsAppGoogle News

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছি: তারেক রহমান

ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছি: তারেক রহমান

নকশা বহির্ভূত ভবন নির্মাণ রোধে রাজউকসহ সব কর্তৃপক্ষকে কড়া নির্দেশ

নকশা বহির্ভূত ভবন নির্মাণ রোধে রাজউকসহ সব কর্তৃপক্ষকে কড়া নির্দেশ

মাঠ প্রশাসন সাজাচ্ছে নতুন সরকার : ঈদের আগেই প্রজ্ঞাপন

মাঠ প্রশাসন সাজাচ্ছে নতুন সরকার : ঈদের আগেই প্রজ্ঞাপন

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তথ্যও ফাঁস, সারসংক্ষেপ পাঠাতে নতুন নির্দেশনা

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তথ্যও ফাঁস, সারসংক্ষেপ পাঠাতে নতুন নির্দেশনা