‘ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক হবে পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে’

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের নতুন সরকার প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায়। পাশাপাশি বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যও রয়েছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের।
শনিবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তারেক রহমানের শীর্ষ সহকারী হুমায়ুন কবীর এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ভারত হবে সেই দেশগুলোর একটি, যেখানে আমরা সফর করব। যদিও ভারত সফরের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট করে কোনো সময় জানাননি তিনি।
এনডিটিভিকে হুমায়ুন কবীর বলেন, স্বাভাবিকভাবেই অভ্যন্তরীণ কিছু বিষয়ে অগ্রাধিকার থাকবে এবং তারপর আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততা। অবশ্যই আমরা এই অঞ্চলের অন্যান্য দেশে সফর করব এবং ভারত সেসব দেশের একটি হবে।
তিনি বলেন, দ্বিপাক্ষিক সফরের ক্ষেত্রে—বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়া কিংবা ভারতের সরকার ও জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তাদের বাংলাদেশ সফর; এসব স্বাভাবিক। কিন্তু আমরা যে বিষয়টি চাই, তা হলো এই সম্পর্কের পরিসর সীমিত না রেখে জনগণের সব স্তরে বিস্তৃত করা।
এনডিটিভির এক প্রশ্নের জবাবে হুমায়ুন কবির বলেছেন, আমার মনে হয়, এটা স্বাভাবিক এবং আমাদের এই অঞ্চলে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে হবে। ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে টানাপোড়েন যাই থাকুক, সেটি আমাদের কোনও পক্ষ নেওয়ার বিষয় নয়।
তিনি বলেন, পারস্পরিক সম্মান ও জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতেই আমরা সম্পর্ক বজায় রাখব। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমালোচনা করে হুমায়ুন কবির বলেন, তার পররাষ্ট্রনীতি ছিল অস্পষ্ট।
তিনি বলেন, ‘‘এটা ছিল ভারত ও শেখ হাসিনার মধ্যে একমুখী সম্পর্ক; যা মানুষ খুব নেতিবাচকভাবে দেখেছে। আমরা কোনও দেশকেন্দ্রিক কিংবা কোনও একক দেশের ওপর নির্ভরশীল পররাষ্ট্রনীতি থেকে সরে আসতে চাই।’’
সূত্র: এনডিটিভি।
এসএস