ইরানে স্কুলে ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮৫

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের একটি স্কুলে ইসরায়েলের হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮৫ জনে দাঁড়িয়েছে। শনিবার ইসরায়েলের ওই হামলায় আরও কয়েকডজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে বলে দেশটির সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।
দেশটির বিচার বিভাগের পরিচালিত সংবাদমাধ্যম মিজান অনলাইন বলছে, মিনাব শহরের বালিকা স্কুলে ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮৫ জনে পৌঁছেছে। এছাড়া হামলায় আহত শিক্ষার্থীদের সেখানকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মিনাব শহরের সরকারি কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেদমেহের বলেছেন, ইসরায়েল স্কুলটিতে সরাসরি হামলা চালিয়েছে। হামলার সময় সেখানে ১৭০ জনের বেশি শিক্ষার্থী ছিল। সেখানে এখনও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকায় নিহতের সংখ্যা আর বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।
শনিবার সকালের দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চালানো হামলায় ইরানের ৩১টি প্রদেশের মধ্যে ২০টিরও বেশি প্রদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ইরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার এই তথ্য জানিয়েছে।
ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মুখপাত্র মোজতবা খালেদি বলেছেন, ‘‘এখন পর্যন্ত ২০টিরও বেশি প্রদেশ হামলার শিকার হয়েছে।’’ ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি, প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, একাধিক মন্ত্রী ও সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নিশানা করে ওই হামলা চালানো হয়।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, ইরানে ইসরায়েলি ও মার্কিন হামলার সঙ্গে জড়িত সব স্থাপনা এখন ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সশস্ত্র বাহিনীর ‘‘বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে’’ পরিণত হবে।
দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেছেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সেই সব স্থানকে বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করছে, যেখান থেকে মার্কিন ও ইহুদিবাদী ইসরায়েলের অভিযান পরিচালিত হয়েছে। একই সঙ্গে ইরানের প্রতিরক্ষা কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত সব স্থাপনাও আমাদের লক্ষ্যবস্তুর অন্তর্ভুক্ত।
সূত্র: এএফপি, আল জাজিরা।
এসএস