ইরানের পূর্বশর্ত না মানলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা শেষ মুহূর্তে বাতিল হতে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত্ব টিভি ও সংবাদমাধ্যম ইরিন।
বিজ্ঞাপন
আজ শনিবার (১১ এপ্রিল) পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে মার্কিনি ও ইরানিদের বৈঠকে বসার কথা আছে। আলোচনার জন্য ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স এবং ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার বাঘের ঘালিবাফের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল ইসলামাবাদে এসে পৌঁছেছেন। তারা পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে আলাদা আলাদাভাবে বৈঠকও করেছেন।
সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক সাংবাদিক ইসলামাবাদ থেকে জানিয়েছেন, ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত্ব টিভিতে বলা হচ্ছে, তাদের পূর্বশর্ত না মানলে কোনো আলোচনা হবে না। পূর্বশর্তগুলো রেডলাইন।
ইরান বলছে, যে আলোচনা ইরানের স্বার্থ, দাবি এবং রেডলাইনকে নিশ্চিত করবে না সেটি থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেওয়াও একটি ‘অর্জন’ হিসেবে বিবেচিত হবে।
বিজ্ঞাপন
গতকাল ইরানের স্পিকার বাঘের ঘালিবাফ মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্সে এক পোস্টে জানান, পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তারা ততক্ষণ আলোচনা শুরু করবেন না, যতক্ষণ লেবাননে ইসরায়েল হামলা বন্ধ না করবে এবং তাদের জব্দকৃত সম্পদ যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে না দেবে।
প্রথমে ইরানিদের জব্দকৃত সম্পদ ছাড়ের শর্ত মানার কথা শোনা গেলেও; এখন যুক্তরাষ্ট্র বলছে অন্য কথা। ফলে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে হতে যাওয়া দুই দেশের আলোচনা আবারও শঙ্কায় পড়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা বলেছেন, কাতার এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশের ব্যাংকে থাকা ইরানিদের অর্থ ছাড়ের কোনো অনুমতি তারা দেননি। যদিও ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছিলেন, মার্কিনিরা তাদের এ শর্ত মেনেছে।
বিজ্ঞাপন
সূত্র: বিবিসি
এমটিআই
