ফের ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে উ. কোরিয়া

Dhaka Post Desk

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২৫ জানুয়ারি ২০২২, ০৭:২৫ পিএম


ফের ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে উ. কোরিয়া

একের পর এক অস্ত্র পরীক্ষা ঘিরে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মাঝেই আবারও সমুদ্রে দু’টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে উত্তর কোরিয়া।  মঙ্গলবার দেশটির পূর্ব-উপকূল থেকে সমুদ্রে এই ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী।

দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ ক্ষেপণাস্ত্রের আওতা কিংবা গতিপথের সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারেননি। তবে তিনি বলেছেন, মার্কিন কর্তৃপক্ষের সাথে সমন্বয় করে এ ব্যাপারে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।

এ নিয়ে চলতি মাসে পঞ্চম বারের মতো ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে উত্তর কোরিয়া। এর আগে দেশটি কৌশলগত একটি ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষার পর উচ্চ গতির দু’টি ‘হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র’ এবং রেল-বাহিত ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালায়।

গত সপ্তাহে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন দেশটির সামরিক শক্তি আরও দৃঢ় ও পারমাণবিক বোমা এবং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষায় স্ব-আরোপিত স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে নিতে পারেন বলে সতর্ক করে দেওয়ার পর কোরীয় উপদ্বীপে উত্তেজনা বাড়ছে।

২০১৭ সালের পর থেকে আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা চালায়নি উত্তর কোরিয়া। তবে ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে দেশটির শীর্ষ বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার পর পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ আলোচনা স্থগিত হয়ে যায়। এরপর বেশ কয়েকটি স্বল্প-পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালায় দেশটি।

সাম্প্রতিক একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষায় উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপে জাতিসংঘের প্রতি চাপ বৃদ্ধি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ব্যালিস্টিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে যেকোনও ধরনের অস্ত্রের পরীক্ষায় উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষায় তা নেই।

সম্প্রতি পিয়ংইয়ংয়ের সামুদ্রিক খাবার ও তৈরি পোশাক রফতানির ওপর জাতিসংঘের আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং পরিশোধিত তেল আমদানির পরিমাণ বৃদ্ধির অনুমতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে চীন ও রাশিয়া।

দক্ষিণ কোরিয়ার পুনরেকত্রীকরণ মন্ত্রী লি ইন-ইয়ং উত্তর কোরিয়াকে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে উত্তেজনা আর না বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। কিন্তু উত্তর কোরিয়া বলেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের নিষেধাজ্ঞা এবং সামরিক মহড়ার মতো ‘বৈরী নীতি’ প্রত্যাহার করে নিলেই কেবল তারা আলোচনায় বসবে।

সূত্র: রয়টার্স।

এসএস

Link copied