নাসা গ্রুপের কর্ণধার নজরুল ইসলাম মজুমদারের ছয়টি বাড়ি ও পূর্বাচলের আটটি প্লট ক্রোকের (জব্দ) আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তার ৫৫ কোম্পানির ৫৬ কোটি ছয় লাখ ৫৮ হাজার শেয়ার ফ্রিজের (অবরুদ্ধ) আদেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. জাকির হোসেন গালিবের আদালত দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আক্তারুল ইসলাম এসব তথ্য জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন
জব্দ হওয়া স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে- গুলশান মডেল টাউন আবাসিক এলাকার ৪৭ নং প্লট ও ১৪তলা বিল্ডিং। যার বাজার মূল্য ৫০ কোটি টাকা। গুলশান মডেল টাউন আবাসিক এলাকার এসই(ডি) ব্লকের ৩ নং প্লট ও ১৪তলা বিল্ডিং। যার বাজার মূল্য ৭০ কোটি টাকা। মহাখালীতে চার কোটি টাকা মূল্যের দুই তলা বাড়ি, একই এলাকায় ছয় কোটি টাকা মূল্যের চার তলা বাড়ি, মহাখালীতে আরেকটি চার কোটি টাকা মূল্যের বাড়ি, তেজগাঁও শিল্প এলাকায় ৫০ কোটি টাকা মূল্যের তিন তলা ভবন রয়েছে।
গত ১৬ ফেব্রুয়ারি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত’ ৭৮১ কোটি ৩১ লাখ ২২ হাজার ৪৫৪ টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলায় নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুদক আইন ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারা তৎসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭ এর ৫ (২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়।
এনআর/এমজে
