বিজ্ঞাপন

দুদকের মামলায় জামিন মেলেনি জিয়াউল আহসানের

অ+
অ-
দুদকের মামলায় জামিন মেলেনি জিয়াউল আহসানের

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (বরখাস্ত হওয়া) জিয়াউল আহসানের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। একইসঙ্গে তার ফ্রিজ হওয়া ব্যাংক হিসাব অবমুক্ত ও ক্রোক আদেশ হওয়া সম্পত্তি অবমুক্ত চেয়ে করা আবেদনও নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (৩০ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন ঢাকা পোস্টকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আসামি পক্ষের আইনজীবী তার জামিন ও ফ্রিজ হওয়া ব্যাংক হিসাব অবমুক্ত এবং ক্রোক আদেশ হওয়া সম্পত্তি অবমুক্ত চেয়ে করা আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আসামির জামিন আবেদনসহ অপর আবেদনগুলো নাকচ করেন। 

এর আগে গত ৭ জানুয়ারি একই আদালত দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখান।

বিজ্ঞাপন

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগ এনে গত বছরের ২৩ জানুয়ারি দুদকের উপপরিচালক মো. সালাউদ্দিন বাদী হয়ে মামলা করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত হওয়া মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান নিজ নামে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ২২ কোটি ২৭ লাখ ৭৮ হাজার ১৪২ টাকার সম্পদ অর্জন করেন। এছাড়া গাইডলাইন অব ফরেন এক্সচেঞ্জ ট্রান্সজেকশন-২০১৮ ও ২০২০ সালের এফইপিডি সার্কুলার-৬ অনুযায়ী বর্তমান অনুমোদিত সীমা লঙ্ঘন করে নিজের ব্যাংক হিসাবে ৫৫ হাজার মার্কিন ডলার জমা করেন। বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা করে স্ত্রী নুসরাত জাহানের সহযোগিতা ও যোগসাজশে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তর করেন। নিজ নামে ৮টি সক্রিয় ব্যাংক হিসাবে প্রায় ১২০ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন করেছেন জিয়াউল আহসান।

একজন উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা হওয়ার সুবাদে এই কাজে নিজের পদ ও অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, দণ্ডবিধি, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

বিজ্ঞাপন

এনআর/এসএম