পালং শাক খাওয়ার ৫ উপকারিতা
পালং শাক দীর্ঘদিন ধরে পুষ্টির অন্যতম উৎস হিসেবে সমাদৃত। স্মুদি এবং সালাদ থেকে শুরু করে সবজি এবং স্যুপ পর্যন্ত, এই সবুজ শাকটি অসংখ্য খাদ্যতালিকায় স্থান করে নিয়েছে। কিন্তু এর অনেক উপকারিতা থাকা সত্ত্বেও, পালং শাক সবসময় শরীরের জন্য ততটা সহজ নয় যতটা আমরা ধরে নিই, বিশেষ করে যখন এটি কাঁচা বা অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া হয়। তাই এই শাক খাওয়ার সময় এসব বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। এবার চলুন জেনে নেওয়া যাক পালং শাক খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে-
১. আয়রন গ্রহণে সহায়তা করে
দ্য জার্নাল অফ নিউট্রিশনে প্রকাশিত একটি অধ্যায় অনুসারে, পালং শাকে নন-হিম আয়রন থাকে, যা শক্তির মাত্রা বৃদ্ধিতে অবদান রাখে। তাই শরীরে আয়রনের ঘাটতি দূর করতে এই শাক নিয়মিত খেতে হবে। এতে সুস্থ থাকা সহজ হবে।
২. হজমে সহায়তা করে
২০২১ সালের একটি গবেষণাপত্র অনুসারে, পালং শাকে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় উভয় ধরণের প্রাকৃতিক তন্তু রয়েছে, যা মসৃণ হজমশক্তি বৃদ্ধি করে, কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে এবং সামগ্রিক অন্ত্রের গতি নিয়মিত করে অন্ত্রের স্বাস্থ্যকে সহায়তা করে।

৩. অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ
পালং শাক লুটেইন, বিটা-ক্যারোটিন, ভিটামিন সি এবং আলফা-লাইপোয়িক অ্যাসিডের মতো শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর যা অক্সিডেটিভ স্ট্রেস মোকাবিলায় এবং ফ্রি র্যাডিক্যালের কারণে কোষের ক্ষতি কমাতে সাহায্য করে।
৪. হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখে
পালং শাক ভিটামিন কে এবং ম্যাগনেসিয়াম সরবরাহ করে। ২০২৪ সালের একটি গবেষণা অনুসারে, এই দুটি পুষ্টি উপাদান শক্তিশালী হাড় বজায় রাখতে এবং স্বাস্থ্যকর ক্যালসিয়াম ব্যবহারে সহায়তা করে। তাই হাড় ভালো রাখতে নিয়মিত এই শাক খেতে হবে।
৫. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
পালং শাকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে সমর্থনকারী ভিটামিন এ এবং সি রয়েছে, যা শরীরের প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উন্নত করতে, রোগ প্রতিরোধ কোষের কার্যকারিতায় সহায়তা করতে এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
এইচএন
