মাঘের আগেই ‘বাঘ কাঁপানো’ শীত, ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত সতর্কতা

দেশজুড়ে জেঁকে বসা হাড়কাঁপানো শীত ও শৈত্যপ্রবাহের স্থায়িত্ব আরও বেড়েছে। আগামী ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত এই শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি)। একইসঙ্গে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের কিছু এলাকায় তাপমাত্রা কমে ৬ থেকে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামার আশঙ্কা রয়েছে সংস্থাটি।
মঙ্গলবার (০৬ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি) ঢাকা পোস্টকে এ তথ্য জানায়।
বিডব্লিউওটি জানায়, মঙ্গলবার দুপুরের পর দেশের অধিকাংশ এলাকার আকাশ থেকে কুয়াশা সরে গিয়ে রোদের দেখা মিলেছে। তবে বগুড়া ও গাইবান্ধাসহ উত্তরাঞ্চল এবং খুলনা বিভাগের কিছু এলাকায় কুয়াশার চাদর রয়ে গেছে।
সংস্থাটি আরও জানায়, আজ রাতে কুয়াশা বেল্ট আবারও বিস্তার লাভ করতে পারে। তবে দেশের পশ্চিমাঞ্চলে কুয়াশা খুব বেশি সময় স্থায়ী হতে পারবে না। ফলে আগামীকাল বুধবার (৭ জানুয়ারি) পশ্চিমাঞ্চলে দ্রুত রোদের দেখা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে, দেশের উত্তর-পূর্ব ও পূর্বাঞ্চলীয় জেলাগুলোতে কুয়াশার দাপট তুলনামূলক বেশি থাকতে পারে।

তাপমাত্রা আরও কমার বিষয়ে বিডব্লিউওটি জানায়, রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগে কুয়াশার আস্তরণ কমে আসায় আগামী দুই দিন এসব এলাকায় রাতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমতে পারে। মাঝে তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও আগামী ১০ ও ১১ জানুয়ারি সর্বনিম্ন তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।
তীব্র শীতের সতর্কতার বিষয়ে সংস্থাটি জানায়, শৈত্যপ্রবাহের মেয়াদ ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত বর্ধিত হওয়ায় দেশজুড়ে ‘কনকনে’ শীত অনুভূত হবে। বিশেষ করে দেশের পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার কোথাও কোথাও তাপমাত্রা ৬-৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এসআর/এসএম