জেন-জি ডিবেটিং সোসাইটির প্রথম ইন্ট্রা বিতর্ক প্রতিযোগিতা সম্পন্ন

দেশের তরুণ বিতার্কিকদের নিয়ে গড়ে ওঠা স্বতন্ত্র প্ল্যাটফর্ম ‘জেন-জি ডিবেটিং সোসাইটির (জিডিএস) প্রথম অন্তঃবিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ‘জিডিএস প্রেজেন্টস: ফার্স্ট ইন্ট্রা ডিবেট কম্পিটিশন’ শীর্ষক এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে সংগঠনটি তাদের সদস্যদের দক্ষতা যাচাইয়ের নতুন এক মাইলফলক স্পর্শ করল।
কোনো নির্দিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ না থেকে জিডিএস গত ১৫ মাস ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বিতার্কিকদের নিয়ে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক বিতর্ক সংস্কৃতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। এটি মূলত একটি ‘ইউথ-ড্রিভেন’ বা তরুণদের মাধ্যমে পরিচালিত ডিবেটিং প্ল্যাটফর্ম।
এশীয় সংসদীয় বিতর্ক (এশিয়ান পার্লামেন্টারি) ফরম্যাটে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টে অনুসরণ করা হয়েছে ভিন্নধর্মী ‘অকশন-বেজড সিস্টেম’ বা নিলামভিত্তিক দল গঠন প্রক্রিয়া। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ৪০ জনের বেশি বিতার্কিক এবং ২০ জনেরও বেশি অভিজ্ঞ বিচারক এই আসরে অংশ নেন। তিনটি ট্যাব রাউন্ড, প্রি-সেমিফাইনাল ও সেমিফাইনাল পেরিয়ে ফাইনালের মাধ্যমে ছয় রাউন্ডের এই প্রতিযোগিতা সম্পন্ন হয়।
প্রতিযোগিতাটির একাডেমিক পার্টনার হিসেবে ছিল ‘রিয়ান একাডেমি ইংলিশ’ এবং মিডিয়া পার্টনার হিসেবে যুক্ত ছিল অনলাইন সংবাদমাধ্যম ‘ঢাকা পোস্ট’। আয়োজকরা জানান, অংশগ্রহণকারীদের যুক্তির গভীরতা ও বিশ্লেষণী দক্ষতা এই আসরকে প্রাণবন্ত করে তুলেছে। তাঁদের মতে, এটি কেবল একটি প্রতিযোগিতা নয়, বরং তরুণদের জন্য একটি বিশ্বাসযোগ্য প্ল্যাটফর্ম গড়ার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
২০২৪ সালের অক্টোবরে যাত্রা শুরু করা জিডিএস শুরুতে অনলাইনভিত্তিক কার্যক্রম চালালেও বর্তমানে অফলাইনেও কার্যক্রম সম্প্রসারণ করেছে। সংগঠনটি জানায়, ভবিষ্যতে তারা দেশের বিভিন্ন স্কুল ও কলেজে সরাসরি গিয়ে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বিতর্ক সেশন পরিচালনা করবে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে যুক্তিভিত্তিক চিন্তাভাবনা ও মত প্রকাশের দক্ষতা তৈরি করাই হবে এর মূল লক্ষ্য।
ইতোমধ্যেই সারা বাংলাদেশকে বিভিন্ন জোনে ভাগ করে অফলাইন পর্যায়ে বিতর্ক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সংগঠনটি। আয়োজকদের প্রত্যাশা, নিয়মিত মানসম্মত আয়োজনের মাধ্যমে দেশের বিতর্কচর্চাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে জেন-জি ডিবেটিং সোসাইটি।
বিআরইউ