যুদ্ধপরিস্থিতি পর্যালোচনা করে বিমানের দুবাই রুট চালুর চিন্তা

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, জেদ্দা, মদিনা, রিয়াদ ও মাসকাট রুটে বর্তমানে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। আর যুদ্ধ পরিস্থিতির ঝুঁকি বিবেচনায় বন্ধ থাকা অন্যান্য গন্তব্যগুলোর মধ্যে দুবাই রুট পুনরায় চালুর বিষয়টি এখন ভাবছে সরকার। ঝুঁকির বিষয়গুলো বিবেচনা করে দুবাই রুট চালুর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে বলেও জানান তিনি।
সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আজ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমাদের মন্ত্রণালয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি নির্দেশনা দিলেন যেন স্বচ্ছভাবে সবকিছু চলে। বিমান বোর্ডটা যাতে ভালো হয় এবং বিমানের যে এমপ্লয় শর্টেজ আছে সেগুলোকে পূরণ করে বিমানের সার্ভিস জনগণের স্বার্থে যাতে আমরা ইউজ করতে পারি।
তিনি বলেন, জনসাধারণের দুর্ভোগ কমানোর বিষয়েও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আগে একটি গেট ছিল মাত্র বের হওয়ার জন্য। যাত্রীদের সেই আটটি বেল্টের লোক একটা গেট দিয়ে বের হতো, স্ক্যানার মেশিনে একটা ছিল। আমরা এরইমধ্যে ভিজিটে গিয়ে দুটি করেছিলাম। তিনি আমাদেরকে বললেন (প্রধানমন্ত্রী) যে প্রয়োজনে তিনটা করে দেন যাতে জনদুর্ভোগ না হয়। দুই–তিনটা ফ্লাইট আসলে অনেকগুলো ভিড় হয়। সেই ভিড়ের মধ্যে খুব তাড়াতাড়ি যাতে লাগেজ নিয়ে আমাদের জনগণ সুন্দরভাবে তাড়াতাড়ি বের হতে পারে।
বিমানের কিছু শেয়ার অফলোড করে বেসরকারি খাতে দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা আছে কি না—এমন প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রী বলেন, না এরকমভাবে এখন আপাতত নেই। আমরা মন্ত্রণালয় থেকে চেষ্টা করছি যে বিমানের বোর্ডকে চেঞ্জ করা। তারপরে বিমানের বাইরে থেকে যাতে সিইও হায়ার করে সুন্দর করে বাইরের আদলে আমরা কিছু করতে পারি। জনসেবায় যাতে ক্লিননেসটা থাকে এবং বাইরের এয়ারক্রাফটের সঙ্গে কম্পিটিশন করে যাতে আমরা চলতে পারি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা এগুলো দেখছি কীভাবে সব কম্বাইন্ড করে টিকিটের দামটা সহনীয় পর্যায়ে থাকে। সেগুলো নিয়ে আমরা ওয়ার্ক আউট করছি। আমরা আশা করি কিছুদিনের মধ্যেই দেখতে পারবেন বিমানের চেঞ্জ। অনেক ভঙ্গ ছিল, মানে কোনো আইন–কানুন মেনে কিছু করা হয়নি আগে। এখন আমরা একটু ফরমেশনে যাচ্ছি।
তিনি বলেন, টার্মিনালের ব্যাপারে গেট করার মতো নির্দেশ দিয়েছে। আমরা যতটুকু সম্ভব দেখতে হবে যাতে ঠিকভাবে করা যায়। এয়ারপোর্ট তো খুব একটা বড় না। টি–টু তো, আমরা টি–ওয়ান। একটা গেট ছিল, একটাই মাত্র গেট ছিল। স্ক্যানার মেশিন একটা ছিল। আমাদের এনবিআরকে একটু বলতে হবে। এটা লজিস্টিক আছে। এনবিআর থেকে কিছু লাগবে। কাস্টমসের লোক লাগবে, স্ক্যানার মেশিন লাগবে। সেজন্য আমরা যত দ্রুত সম্ভব বলব যাতে স্ক্যানার মেশিনসহ জনবল দেওয়া হয়।
আরএইচটি/জেডএস