প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টার সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর সঙ্গে ঢাকার চীন দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন সাক্ষাৎ করেছেন।
সোমবার (৯ মার্চ) সচিবালয়ে উপদেষ্টার অফিস কক্ষে এ সাক্ষাৎ করেন তিনি।
সাক্ষাতের শুরুতেই উপদেষ্টা বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম বিনিয়োগকারী দেশ হিসেবে চীন ও চীনের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিবেশে সম্পন্ন হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।
উপদেষ্টা বাংলাদেশ ও চীন ঘনিষ্ঠ বন্ধুদেশ বলে উল্লেখ করেন এবং দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগের স্থপতি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা তুলে ধরেন এবং একইসঙ্গে বেগম খালেদা জিয়ার অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার পাশাপাশি প্রশাসনিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।
উপদেষ্টা সরকারি কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য চীনের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করলে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিপিএটিসি) ও চীনের কেন্দ্রীয় জনপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভূয়সী প্রশংসা করে রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নেতৃত্বের যে নতুন ‘স্টাইল’ দেখিয়েছেন তাতে চীন খুবই আশাবাদী। চীনসহ বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখে বাংলাদেশ টেকসই উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাবে বলে প্রত্যাশার কথা জানান চীনা রাষ্ট্রদূত।
চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে উপদেষ্টা বলেন, আমরা অর্থনৈতিকভাবে টেকসই দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা হওয়ার সব যাত্রায় চীন সহযোগিতা করবে বলে আশা করি।
এসএইচআর/এমএন