নৌপথে নিরাপত্তায় নিরলস কোস্ট গার্ড সদস্যরা

ঈদের ছুটিতে সবাই যখন আপনজনের কাছে ফিরে যায়, কোস্ট গার্ড সদস্য তখনও নৌপথে জনগণের সার্বিক নিরাপত্তায় কাজ করে যায়।
বিজ্ঞাপন
শনিবার (২১ মার্চ) কোস্টগার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড উপকূল এবং নদী তীরবর্তী অঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করণে নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করছে। এরই ধারাবাহিকতায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে যখন দেশের অধিকাংশ মানুষ ছুটিতে প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটাতে নিজ নিজ গন্তব্যে ছুটে যায়, ঠিক সেই সময়েও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সদস্যরা দেশের উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী অঞ্চলে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দিন-রাত নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।
সাব্বির আলম সুজন বলেন, সম্প্রতি, চাঁদপুর জেলার হাইমচর এলাকায় বৈরী আবহাওয়ায় ঝড়ের কবলে পড়া একটি যাত্রীবাহী লঞ্চ থেকে ১০৪ জন যাত্রীকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকরাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হয়েছে, যা কোস্ট গার্ডের মানবিক ও পেশাদারিত্বের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
তিনি বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে নৌপথে যাত্রী চলাচল বৃদ্ধি পাওয়ায় যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে কোস্ট গার্ড বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে। কোস্ট গার্ডের আওতাধীন ঢাকার সদরঘাট লঞ্চঘাট, চাঁদপুর লঞ্চঘাট, বরিশাল লঞ্চঘাট, ভোলার ইলিশা, হাতিয়ার নলচিরা, লঞ্চঘাট, খুলনা-মোংলা এবং চট্টগ্রামের বিভিন্ন লঞ্চঘাট ও খেয়াঘাটগুলোতে টহল জোরদার করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ নৌঘাটে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি সন্দেহজনক কার্যক্রম প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। চুরি, ডাকাতি, চাঁদাবাজি ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে কোস্ট গার্ড সর্বদা তৎপর রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
এছাড়াও ঈদ পরবর্তী সময়ে যাত্রীদের নিরাপদে কর্মস্থলে ফেরার যাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে কোস্ট গার্ডের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় কোস্ট গার্ড সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড বদ্ধপরিকর এবং জনগণের কল্যাণে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।
এমএসি/জেডএস