বিজ্ঞাপন

কমলাপুরে ঢাকামুখী যাত্রীদের ভিড়

অ+
অ-
কমলাপুরে ঢাকামুখী যাত্রীদের ভিড়

পবিত্র ঈদুল ফিতরের লম্বা ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছে মানুষ। ঈদের নির্ধারিত ছুটি আরও আগেই শেষ হলেও গত ২৪ ও ২৫ সেপ্টেম্বর অতিরিক্ত ছুটি নিয়েছেন অনেকে। ফলে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস, ২৭ মার্চ শুক্রবার এবং পরদিন শনিবারও বন্ধ পেয়েছেন অনেকে। এই লম্বা ছুটি শেষে আজই ঢাকামুখী যাত্রীদের ভিড় সবচেয়ে বেশি। তবে ঈদের এ যাত্রায় কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের যাত্রীরা বড় কোনো অভিযোগ করেননি। নেই যাত্রা বিলম্বের অভিযোগও।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (২৮ মার্চ) রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ঘুরে এবং সংশ্লিষ্টদের কথা বলে এমন চিত্র দেখা গেছে।

কমলাপুর রেল স্টেশনে গিয়ে দেখা গেছে, সকাল থেকেই ট্রেন বোঝাই যাত্রীরা ঢাকায় প্রবেশ করছেন। ট্রেনের নির্ধারিত আসন সংখ্যার পাশাপাশি অনেকে কামরায় দাঁড়িয়ে ঢাকা এসেছেন। কেউ কেউ আবার ট্রেনের ছাদে করেও ঢাকায় প্রবেশ করেছেন।

চিলাহাটি এক্সপ্রেসের যাত্রী রকিবুল বাশার বলেন, মোটামুটি কোনো ঝামেলা ছাড়াই ঢাকা এসেছি। অনেক আগেই টিকিট নিয়েছিলাম কিন্তু টিকিট পেলেও মানুষের যে চাপ তাতে স্বস্তিতে ট্রেনের সিটে বসে আসাটা বড় ভাগ্যের বিষয়।

বিজ্ঞাপন

dhakapost

এই যাত্রী বলেন, আজ সবচেয়ে বেশি যাত্রীর চাপ হতে পারে, তাই পরিবারের কাউকে ঢাকায় নিয়ে আসিনি। স্ত্রী ও সন্তানদের কয়েকদিন পর পরিস্থিতি স্বভাবিক হলে নিয়ে আসবো।

রেদওয়ান নামে আরেক যাত্রী বলেন, ঈদের ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরছি পরিবার নিয়ে। স্টেশনে এসে দেখি বেশ ভিড়, ট্রেনে উঠতেও একটু ধাক্কাধাক্কি করতে হয়েছে। বাচ্চাদের নিয়ে কিছুটা কষ্ট হচ্ছে, বসার জায়গাও পাইনি। তারপরও আগের মতো বিশৃঙ্খলা নেই, সবকিছু মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে আছে। কষ্ট হলেও মনে হচ্ছে নিরাপদেই ঢাকায় পৌঁছাতে পারছি এটাই এখন সবচেয়ে বড় স্বস্তি।

সুন্দরবন এক্সপ্রেসের যাত্রী কাজী ফয়সাল বলেন, গ্রামে কয়েকটা দিন ভালো কাটিয়ে এখন ঢাকায় ফিরছি। কিন্তু ফেরার পথে এসে বুঝলাম চাপটা কতটা। ট্রেনে জায়গা কম, যাত্রী বেশি, তবুও কোনোভাবে উঠে পড়েছি। একটু কষ্ট হচ্ছে ঠিকই, তবে সড়কপথের মতো দীর্ঘ যানজট নেই। তাই এই অবস্থাতেও ট্রেনে যাত্রা অনেকটা স্বস্তির মনে হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, স্টেশনে ভিড় থাকলেও আগের মতো বিশৃঙ্খলা চোখে পড়েনি। ট্রেনে উঠে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে, মাঝে মাঝে গরমেও অস্বস্তি লাগছে। তারপরও সবকিছু সহনীয় পর্যায়ে আছে।

এমএম/এসএম