চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের (ডিএফপি) ক্যামেরাম্যান মশিউর রহমানের ওপর হামলা এবং এই ঘটনায় হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজ ছাত্রদলকে জড়িয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ভুক্তভোগীর পরিবার।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে হামলায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জানান মশিউর রহমানের ভাই আতিকুর রহমান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আতিকুর রহমান জানান, জুলাই অভ্যুত্থান বিষয়ক একটি তথ্যচিত্র (ডকুমেন্টারি) তৈরির জন্য তৎকালীন তথ্য উপদেষ্টার মৌখিক নির্দেশে মুশফিকুর রহমান জোহান নামের এক ব্যক্তিকে কাজ দেয় ডিএফপি। কার্যাদেশটি ছিল ডিএফপির ক্যামেরাম্যান মশিউর রহমানের নামে। অভিযোগ রয়েছে, জোহান নিজেকে সমন্বয়ক ও উপদেষ্টার ঘনিষ্ঠ পরিচয় দিয়ে যথাযথ মান বজায় না রেখেই তথ্যচিত্রটি নির্মাণ করেন।
আতিকুর আরও জানান, জোহান বিলের অধিকাংশ টাকা নিলেও প্রয়োজনীয় ভিডিও ডকুমেন্ট সরবরাহ করেননি। এ নিয়ে সোমবার (৩০ মার্চ) অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের (ডিজি) কক্ষে একটি বৈঠক চলাকালে জোহান উত্তেজিত হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে মহাপরিচালকের উপস্থিতিতেই মশিউর রহমানকে আটকে রেখে ‘মব’ সৃষ্টির মাধ্যমে মারধর ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়।
বিজ্ঞাপন
খবর পেয়ে আতিকুর রহমান পুলিশকে অবহিত করেন এবং ডিজি’র সঙ্গে কথা বলে তার ভাইকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে মশিউর রহমান আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এই ঘটনায় পল্টন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
আতিকুর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিল আদায়ের নামে হামলাকারী জোহান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে এই ঘটনার জন্য হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজ ছাত্রদলকে দায়ী করছেন, যার কোনো সত্যতা নেই। তিনি দাবি করেন, একটি মহল দীর্ঘদিন ধরে ওই কলেজ ছাত্রদলকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে এবং এই ঘটনাটি তারই ধারাবাহিকতা।
সংবাদ সম্মেলনে আতিকুর রহমান সরকারি প্রতিষ্ঠানের একজন কর্মচারীর ওপর দপ্তরে ঢুকে হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।
বিজ্ঞাপন
জেইউ/বিআরইউ
