বিজ্ঞাপন

সংশোধনী বিলের ফটোকপিতেই খরচ ১২ লাখ টাকা, সাশ্রয়ের প্রস্তাব আইনমন্ত্রীর

অ+
অ-
সংশোধনী বিলের ফটোকপিতেই খরচ ১২ লাখ টাকা, সাশ্রয়ের প্রস্তাব আইনমন্ত্রীর

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলো বিল আকারে সংসদে পেশ করার প্রক্রিয়ায় বড় অঙ্কের ব্যয়ের হিসাব দিয়েছেন আইনমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, আগের আইনগুলোর পূর্ণাঙ্গ ছাপানো সংস্করণ বা ফটোকপি সংসদ সদস্যদের সরবরাহ করতে গেলে প্রায় ১২ লাখ টাকা খরচ হবে।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে বিশেষ কমিটির প্রতিবেদন উপস্থাপনের পর পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে আইনমন্ত্রী এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী সংসদে জানান, শুধুমাত্র সিভিল প্রোসিডিউর কোড বা সিপিসির কপি প্রতিটি সদস্যকে সরবরাহ করতে খরচ হবে প্রায় ৭ লাখ টাকা। বিপুল পরিমাণ এই ব্যয় কমাতে তিনি বিকল্প প্রস্তাব পেশ করেন। 

আইনমন্ত্রী বলেন, সংশোধনী বিলের সঙ্গে আগের পুরো আইনের ফটোকপি দিতে গেলে বড় অঙ্কের খরচ হচ্ছে। তাই আমরা প্রস্তাব করেছি, সংশ্লিষ্ট মূল আইনগুলো যেন আইন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং বাংলাদেশ কোড থেকে দেখে নেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও যোগ করেন, আমরা পুরো বিলটি আনছি। তবে বিলের সঙ্গে আগের আইনের ফটোকপি দিতে ১২ লাখ টাকা লাগবে। তাই আমরা আগের আইনটি ওয়েবসাইট থেকে নিতে বলেছি। তবে তুলনা করার সুবিধার্থে আমরা একটি ‘কম্পারেটিভ স্টাডি’ বা তুলনামূলক বিবরণ অবশ্যই প্রদান করব।

এসময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, পুরোনো পুরো আইন না দিলেও সংশ্লিষ্ট ধারাগুলোর তুলনামূলক বিবরণ দিলে সংসদ সদস্যদের জন্য বিষয়টি বোঝা সহজ হবে। আগে আইনটি কী ছিল এবং এখন কী সংশোধন আনা হচ্ছে—এমন একটি বিবরণী (স্টেটমেন্ট) দিলে সদস্যদের বিচার-বিবেচনা করতে সুবিধা হবে।

এদিকে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, মূল আইনটি সামনে না থাকলে পরিবর্তনগুলো বোঝা কঠিন। তিনি বলেন, এখানে শুধু প্রস্তাবনাটা এসেছে, কিন্তু মূল বিলটি কী ছিল তা এই মুহূর্তে আমাদের সামনে নেই। অরিজিনাল বিল না থাকলে কী পরিবর্তন এলো সেই তুলনা বা কম্পারিজন আমরা করতে পারব না।

বিজ্ঞাপন

জবাবে স্পিকার আশ্বস্ত করে বলেন, যে যে ধারায় সংশোধনী আনা হয়েছে, সেগুলোর পরিবর্তনের চিত্র পরিষ্কারভাবে সদস্যদের সামনে তুলে ধরা হবে এবং প্রয়োজনে সংসদেই তা বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা হবে।

এসআর/এসএম