জাতীয় সংসদে নির্বাচন কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ দুটি বিল সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়েছে। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান সংসদ অধিবেশনে ‘নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ এবং ‘জাতীয় সংসদের নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটে সেগুলো পাস হয়।
বিজ্ঞাপন
সোমবার (৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে বিল দুটি উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান।
নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) সংশোধন বিল
অধিবেশনের শুরুতেই আইনমন্ত্রী ১৯৯১ সালের ‘নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইন’ অধিকতর সংশোধনকল্পে বিলটি উত্থাপনের অনুমতি প্রার্থনা করেন। স্পিকারের অনুমতিক্রমে বিলটি উত্থাপিত হওয়ার পর মন্ত্রী এটি অবিলম্বে বিবেচনার প্রস্তাব দেন।
বিজ্ঞাপন
বিলের ওপর কোনো সংশোধনী প্রস্তাব না থাকায় দফাভিত্তিক আলোচনার পর এটি কণ্ঠভোটে দেওয়া হয়। মন্ত্রী বিলটি পাসের প্রস্তাব দিলে স্পিকার বলেন, আমার মনে হয় শুধু হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে তা নয়, সর্বসম্মতিক্রমে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। ফলে বিলটি নির্দিষ্ট আকারে পাস হয়। এই বিলের মাধ্যমে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালন ও বিশেষ বিধান সংক্রান্ত প্রক্রিয়া আরও আধুনিকায়ন করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এরপর আইনমন্ত্রী ২০২১ সালের ‘জাতীয় সংসদের নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ আইন’ সংশোধনের জন্য নতুন একটি বিল উত্থাপন করেন। বিলটি উত্থাপনের পর মন্ত্রী বলেন, সময়ের প্রয়োজনে এবং নির্বাচনী এলাকাগুলোর সীমানা পুনর্বিন্যাস প্রক্রিয়াকে আরও সুসংহত করতে এই সংশোধন আনা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
এই বিলটির ওপরও কোনো সদস্যের সংশোধনী প্রস্তাব ছিল না। দফা ২ ও ৩ সহ বিলের শিরোনাম ও প্রবর্তন সংক্রান্ত অংশগুলো সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। পরবর্তীতে কণ্ঠভোটে ‘জাতীয় সংসদের নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ চূড়ান্তভাবে পাস হয়।
আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বিলগুলো পাসের সময় এর গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা সংক্ষেপে তুলে ধরেন। কোনো বিরোধিতা না থাকায় বিল দুটি পাসের প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুত সম্পন্ন হয়।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের এই সংসদ অধিবেশনে নির্বাচনী সংস্কারের অংশ হিসেবে এই আইনগুলো সংশোধন করা হলো।
এসআর/এমএসএ
