দেশে নিম্নমানের গাড়ির আধিক্যের কারণে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতি বছর প্রায় ১৫ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটছে বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বারভিডা) সভাপতি আবদুল হক। তিনি বলেন, শুধুমাত্র নিম্নমানের বা থার্ড ক্লাস যানবাহনের কারণেই আমাদের দেশে এত বিপুল সংখ্যক মানুষ মারা যাচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে রাজস্ব ভবনের সম্মেলন কক্ষে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রাক-বাজেট আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সঙ্গে পরিবহন খাতের বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বারভিডা সভাপতি উন্নত মানের গাড়ির আমদানিতে গুরুত্বারোপ করে বলেন, ‘জাপানি বা উন্নত বিশ্বের আধুনিক প্রযুক্তির গাড়ি চলাচলের সুযোগ দিলে প্রাণহানির এই হার কমিয়ে আনা সম্ভব। বর্তমানে দেশে যেসব নিম্নমানের গাড়ি চলছে, সেগুলোর প্রযুক্তি অত্যন্ত পুরনো। জরুরি মুহূর্তে ব্রেক করলে গাড়ি অনেকটা পথ পেরিয়ে গিয়ে থামে, যা দুর্ঘটনার অন্যতম প্রধান কারণ।’
দেশে যানবাহনের মান যাচাইয়ের জন্য কোনো কার্যকর ‘অটোমোবাইল ইনস্টিটিউট’ না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
গণপরিবহনে এনবিআর-এর বিশেষ ছাড়ের ঘোষণা
সভায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান বলেন, চলতি বছর পাবলিক ট্রান্সপোর্ট বা গণপরিবহনের ক্ষেত্রে আমরা সর্বোচ্চ ছাড় দেব। আমরা চাই ঢাকার রাস্তায় আধুনিক ও মানসম্মত গাড়ি চলুক, যেখানে কর্মজীবী মানুষ ও শিক্ষার্থীরা স্বচ্ছন্দে যাতায়াত করতে পারে। বর্তমানে রাজধানীতে উন্নত মানের গণপরিবহনের সংকট প্রকট।
এনবিআর চেয়ারম্যান আরও জানান, গত বছরের তুলনায় এবার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৫০ শতাংশ বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। তিনি বলেন, গত বছর ৪ লাখ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। এবার আমাদের লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ কোটি টাকা। দেশের উন্নয়নের স্বার্থে এই বিশাল রাজস্ব আদায়ে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া ছাড়া বিকল্প নেই।
বিজ্ঞাপন
এমএইচএন/এমএআর
