বিজ্ঞাপন

ডিএমপি

পূর্বশত্রুতার জেরে শান্তিনগরে হত্যা করা হয় অটোরিক্সা চালক সেকেন্দারকে

অ+
অ-
পূর্বশত্রুতার জেরে শান্তিনগরে হত্যা করা হয় অটোরিক্সা চালক সেকেন্দারকে

রাজধানীর শাহজাহানপুরের শান্তিবাগ এলাকায় অটোরিকশা চালক সেকেন্দার হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটন করেছে পুলিশ। পূর্বশত্রুতার জেরে তাকে পরিকল্পিতভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

বিজ্ঞাপন

এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে ‘বুলেট মামুন’সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে উদ্ধার করা হয়েছে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা ছুরি।

ডিএমপির শাহজাহানপুর থানা পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন– মামুন ওরফে বুলেট মামুন (৩৫), আঁখিশন ওরফে আঁখি ওরফে আকির হোসেন ওরফে মো. হাসান (৪২) ও মো. হান্নান (২৬)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা পূর্বশত্রুতার জেরে সেকেন্দারকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) এন এম নাসিরুদ্দিন জানান, নিহত সেকেন্দার পেশায় একজন অটোরিকশা চালক ছিলেন। তার সঙ্গে গ্রেপ্তারদের আগে থেকেই বিরোধ ছিল। গত সোমবার (৯ মার্চ) রাত সোয়া ১১টার দিকে শান্তিবাগ এলাকা থেকে ভাড়া বাসায় ফিরছিলেন সেকেন্দার। শাহজাহানপুর থানাধীন শান্তিবাগ ভাঙারি গলি সংলগ্ন মামুনের ট্রেইলারিং দোকানের সামনে পৌঁছালে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে সেকেন্দারের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে পালিয়ে যান।

বিজ্ঞাপন

পরবর্তীতে গুরুতর জখম অবস্থায় সেকেন্দারকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় ডিএমপির শাহজাহানপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

মামলার তদন্ত ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় শাহজাহানপুর থানা পুলিশ শুক্রবার (১০ এপ্রিল) মধ্যরাত থেকে আজ শনিবার (১১ এপ্রিল) পর্যন্ত রাজধানীর বাসাবো ও খিলগাঁও তিলপাপাড়ায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আঁখি, হান্নান ও বুলেট মামুনকে গ্রেপ্তার করে। বিকেলে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিটি উদ্ধার করা হয়।

শাহজাহানপুর থানা-পুলিশের বরাতে ডিসি এন এম নাসিরুদ্দিন আরও জানান, গ্রেপ্তার মামুন ওরফে বুলেট মামুনের বিরুদ্ধে শাহজাহানপুর ও পল্টন থানায় আগের ১৫টি মামলা রয়েছে। এছাড়া গ্রেপ্তার আঁখিশন ওরফে আঁখির বিরুদ্ধে রয়েছে দুটি মামলা। গ্রেপ্তারদের শনিবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

জেইউ/বিআরইউ