বিজ্ঞাপন

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

বৈরুতের বাংলাদেশ দূতাবাসে কর্মরত কূটনী‌তিকরা ঝুঁকির মধ্যে আছেন

অ+
অ-
বৈরুতের বাংলাদেশ দূতাবাসে কর্মরত কূটনী‌তিকরা ঝুঁকির মধ্যে আছেন

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের কার‌ণে বৈরু‌তের বাংলা‌দেশ দূতাবা‌সে কর্মরত কূটনী‌তিকরা ঝুঁকির মধ্যে আছেন ব‌লে জা‌নি‌য়ে‌ছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবা‌য়েদ ইসলাম।

বিজ্ঞাপন

প্রতিমন্ত্রী জানান, মিশনে যারা কর্মরত আছেন, তাদেরকে অন্য জায়গায় সরিয়ে নেওয়া (রিলোকেট) হয়েছে।

রোববার (১২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের স‌ঙ্গে আলাপকা‌লে এ তথ‌্য জানান তি‌নি। 

বিজ্ঞাপন

শামা ওবা‌য়েদ ব‌লেন, এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। লেবাননে এমনকি আমাদের মিশনের যারা কর্মরত আছেন, তারাও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। তাদের অন্য জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, যাতে তারা আপাতত নিরাপদে থাকতে পারেন। আমাদের বাংলাদেশিরা যতদূর শুনেছি এখন পর্যন্ত নিরাপদে আছেন।

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর ইরানের পাল্টা হামলার প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে আটজন বাংলাদেশি নিহত হওয়ার কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট থেকে আমরা ইতোমধ্যে আটজন নাগরিককে হারিয়েছি। সর্বশেষ লেবাননে আমাদের একজন নারী কর্মী নিহত হয়েছেন।

তি‌নি ব‌লেন, প্রথম একজন নারী এই যুদ্ধে নিহত হলেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা অবশ্যই চাই যুদ্ধ অবিলম্বে বন্ধ হোক। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশে যাতে জ্বালানি স্বল্পতা না হয় এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধগতি না ঘটে, সেদিকে সরকার সচেষ্ট আছে।

বিজ্ঞাপন

শামা ওবায়েদ জানান, মধ্যপ্রাচ্যে নিহত আটজনের মধ্যে পাঁচজনের মরদেহ ইতোমধ্যে দেশে আনা হয়েছে। একজনকে বিদেশের মাটিতেই দাফন করা হয়েছে, কারণ মরদেহ ফেরত আনার মতো অবস্থা ছিল না। আরেকজনের মরদেহ আনার চেষ্টা চলছে।

লেবাননে নিহত দীপালির মরদেহ আনতে সময় লাগার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, যেহেতু যুদ্ধাবস্থা চলছে, সেখান থেকে মরদেহ আনার মতো সরাসরি ফ্লাইটের পথ নেই। মরদেহ আনতে আমাদের সময় লাগবে এবং সেই কাজ আমরা করছি।

প্রতিমন্ত্রী ব‌লেন, লেবাননের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ রয়েছে। আমাদের মিশন লেবানন সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে মরদেহ দ্রুত আনা সম্ভব হবে না, কিছুটা সময় লাগবে।

এনআই/এমএসএ