লতিফ সিদ্দিকীর মনোনয়নপত্র বৈধ, আপিল খারিজ

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে যাচ্ছেন আবদুল লতিফ সিদ্দিকী। তার মনোনয়নপত্র বৈধতার বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল দায়ের করেছেন একই আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. লিয়াকত আলী। কিন্তু আপিল শুনানিতে লতিফ সিদ্দিকির মনোনয়নপত্র বৈধ করেছে ইসি।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়াম (বেজমেন্ট-২)-এ আপিল শুনানিতে এই আদেশ দেওয়া হয়।
শুনানিতে লিয়াকত আলীর আইনজীবী বলেন, লতিফ সিদ্দিকি তার হলফনামায় তথ্য গোপন করেছেন। তার সব তথ্য ঠিকঠাক আছে কিনা, তা যাচই করতে বলা হয়।
কমিশনে লতিফ সিদ্দিকি বলেন, আমার বিরুদ্ধে শত শত মামলা হয়েছে, সে মামলা কি হতে পারে? নিম্ন আদালতের মাধ্যমে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে এবং আমি থানায় আত্মসমর্থন করি। পরে উচ্চ আদালত আমাকে জামিন দেন।
সেসব মামলাগুলো পরে কোনো রকম বা কোনোভাবেই আমি কোনোদিন আদালতে হাজির হইনি। সেই মামলা হতে পারে না। ১৮৮-তে কি বলা? তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে নিউ ইয়র্কের একটি ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমতি ছাড়াই মামলা আমলে নেওয়া হয়েছিল, যা আইনসংগত নয়। টকশোতে বড় বড় কথা বলা যায় আইনের হাজার বার ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। কিন্তু ন্যায় নীতি আদর্শের অপেক্ষা আমি জানি।
তিনি বলেন, আমি ভীষণভাবে বিরক্ত। যে ছেলেটি এই অভিযোগ এনেছে, তিনি ১৮ ও ২৪ এর নির্বাচনে আমরা প্রতিপক্ষ প্রার্থী ছিলাম। তখনও কিন্তু এই মামলাগুলো ছিল।
লতিফ সিদ্দিকি বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তার সামনে যখন বলা হলো, আমার নমিনেশনে কারও কোনো আপত্তি আছে কিনা, তখন কেউ কোনো আপত্তি করেনি। যে ছেলে আমার বিরুদ্ধে আপিল করেছেন, সেও তখন না করেছিল। হঠাৎ একদিন রিটার্নিং কর্মকর্তা জানালেন, আমার বিরুদ্ধে আপিল হয়েছে শুনানিতে যেতে হবে। আমি চলে আসলাম। আপনাদের সামনে হাজির হলাম। আপনারা যা করবেন, মেনে নেব।
পরে ইসি তার মনোনয়নপত্র বৈধ রেখে আপিল খারিজ করে দেয়।
এমএইচএন/এমএন