চট্টগ্রাম-১২ : প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে টাকা বিলির অভিযোগ জামায়াত প্রার্থীর

ভোটের এক দিন আগে চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, নগদ টাকা বিতরণ ও রেশন কার্ডের প্রলোভন দেখিয়ে প্রভাবিত করার অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ তুলে ধরে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন ওই আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত মনোনীত ও ১১-দলীয় জোট সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা. মো. ফরিদুল আলম এসব অভিযোগ করেন।
লিখিত বক্তব্যে ডা. ফরিদুল আলম বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে একটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে পটিয়ার বিভিন্ন ইউনিয়নে ভোটারদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। নগদ অর্থ বিতরণ ও নানা প্রলোভনের মাধ্যমে ভোট কেনার অপচেষ্টা চলায় সাধারণ ভোটারদের পাশাপাশি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যেও চরম আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, অতীতের ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রমের সূত্র ধরে কিছু এলাকায় ‘স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণকে ভোট প্রদানের সঙ্গে শর্তযুক্ত করা হচ্ছে। এর ফলে ভোটারদের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার সাংবিধানিক অধিকার মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, এসব অনিয়ম ও ভয়ভীতির কারণে অনেক ভোটার নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত এবং কেন্দ্রে যেতে অনীহা প্রকাশ করছেন। বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটারদের মধ্যে এই উদ্বেগ বেশি।
ডা. ফরিদুল আলম বলেন, ‘ভোট প্রদান নাগরিকের মৌলিক অধিকার। এই অধিকারে যারা হস্তক্ষেপ করছে, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে।’
প্রার্থী ডা. ফরিদুল আলম এ বিষয়ে প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে ভোটারদের প্রতি সব ভয়ভীতি উপেক্ষা করে আগামীকাল ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন– জামায়াত প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট শাহজাহান মুহাম্মদ মহিউদ্দীন, জামায়াত নেতা গাজী আসলাম, উপজেলা জামায়াতের আমির জসিম উদ্দিন ও পৌরসভা আমির সেলিম উদ্দিন।
এমআর/বিআরইউ