বিজ্ঞাপন

আমরা আওয়ামী লীগের প্রক্সি হিসেবে বিএনপিকে চাই না : রাশেদ প্রধান

অ+
অ-
আমরা আওয়ামী লীগের প্রক্সি হিসেবে বিএনপিকে চাই না : রাশেদ প্রধান

সরকারের স্বৈরাচার, ফ্যাসিস্ট হওয়ার জন্য যা যা উপাদান প্রয়োজন বিএনপি তার সব প্রমাণ করে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) দলীয় মুখপাত্র রাশেদ প্রধান।  

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, আমরা আর ভারতীয় আধিপত্যবাদের সামনে মাথা নত করতে চাই না। আমরা আওয়ামী লীগের প্রক্সি হিসেবে বিএনপিকে চাই না। এক জুলাই গেছে আরেক জুলাই আসতে যাচ্ছে। আরও একটি অভ্যুত্থান করতে হবে। আবারও আজাদির বিজয় ছিনিয়ে আনতে হবে।

আজ (সোমবার) জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) ৪৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াত আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

তিনি বলেন, যেই মুজিববাদী সংবিধানকে সংশোধন করতে করতে হাসিনাবাদী সংবিধানে পরিণত করা হয়েছে, সেই হাসিনাবাদী সংবিধানকে এখন তারেকবাদী সংবিধানে পরিণত করতে চাইছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন। চব্বিশ পরবর্তী বাংলাদেশে সংবিধানের দোহাই দিয়ে আধিপত্যবাদের কাছে মাথানত করার জন্য যদি জুলাইকে অস্বীকার করতে বলেন তাহলে আমরা প্রস্তুত নই। আমরা জুলাইয়ের শপথ বাস্তবায়নে প্রস্তুত।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, জাগপার পক্ষ থেকে বলতে চাই, আমরা ১৯৭১ সালে লাল সবুজের পতাকা পেয়েছিলাম, নামকাওয়াস্তে স্বাধীনতা পেয়েছিলাম, স্বার্বভৌমত্ব পাইনি। ভারতীয় আধিপত্যবাদ আমাদের গ্রাস করে খেয়েছে। সামনের বাংলাদেশে আমরা এই আধিপত্যবাদকে চাই না। ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা তার মাতৃভূমি ভারতের দিল্লীতে পালিয়ে গেছে। আমরা স্বপ্ন দেখেছিলাম একটা নতুন বাংলাদেশ হবে। যে দেশে প্রকৃত স্বাধীনতা, স্বার্বভৌমত্ব গণতন্ত্র পাবো। ১২ ফেব্রুয়ারি সেই স্বপ্নকে গুঁড়ো গুঁড়ো করে দেওয়া হয়েছে ম্যানেজ ভোটের মাধ্যমে।

রাশেদ প্রধান বলেন, আমরা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবো, কোনো আইন বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারবে না... এটাই ছিল বিএনপির বক্তব্য। আদেশ হলো, অধ্যাদেশ হলো, গণভোট জাতীয় নির্বাচন এক সাথে হলো, তাতেও আপত্তি নেই। কিন্তু এখন তারা গণভোট অধ্যাদেশই বাতিল করে দিতে চায়।

বিজ্ঞাপন

রাশেদ প্রধান বলেন, সংসদে এখন একজন নতুন শিক্ষক এসেছে শিলং থেকে। ভারতীয় এজেন্ট স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসে এখন শিক্ষা দেন, আমরা সবাই ছাত্র। বিরোধী দলীয় নেতার বক্তব্যের পর আর প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য দিতে ওঠেন না।  

জেইউ/এনএফ