• সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • সারাদেশ
    জেলার খবর
  • খেলা
  • বিনোদন
  • জবস

বিজ্ঞাপন

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো. কামরুল ইসলাম

গোপনীয়তার নীতিব্যবহারের শর্তাবলিযোগাযোগআমাদের সম্পর্কেআমরাআর্কাইভবিজ্ঞাপন

৯৫ সোহরাওয়ার্দী এভিনিউ, বারিধারা ডিপ্লোমেটিক জোন, ঢাকা ১২১২।

+৮৮০ ৯৬১৩ ৬৭৮৬৭৮

phone+৮৮০ ১৩১৩ ৭৬৭৭৪২

whatsapp+৮৮০ ১৭৭৭ ৭০৭৬০০

info@dhakapost.com

বিজ্ঞাপন

  1. ধর্ম

শাবান মাসে যেসব আমল পরিহার করবেন

ধর্ম ডেস্ক
ধর্ম ডেস্ক
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১৫:০২
অ+
অ-
শাবান মাসে যেসব আমল পরিহার করবেন
প্রতীকী ছবি

শাবান মাসজুড়ে রোজা রাখা ফজিলতপূর্ণ। হাদিসে বহু ধরনের সওয়াবের কথা বর্ণিত হয়েছে। এছাড়া ‘আইয়ামে বিজ’র রোজাও গুরুত্বপূর্ণ। (প্রতি মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে রোজাকে আইয়ামে বিজ’র রোজা বলে। এই রোজার রাখার ব্যাপারে হাদিসে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে।)

বিজ্ঞাপন

পাশাপাশি দুর্বল সূত্রে বর্ণিত একটি হাদিসে ১৫ তারিখে বিশেষভাবে রোজা রাখার কথা পাওয়া যায়। আলী (রা.) থেকে বর্ণিত সেই হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, ‘১৫ শাবানের রাত (১৪ তারিখ দিবাগত রাত) যখন আসে, তখন তোমরা তা ইবাদত-বন্দেগিতে কাটাও এবং পরদিন রোজা রাখো।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১৩৮৪)

এ মাসে অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ একটি রাত রয়েছে। কোরআনের ভাষায় এটাকে লাইলাতুম মুবারকা বলে। আমাদের দেশীয় পরিভাষায় ‘শবে বরাত’ বলা হয়ে থাকে। বিভিন্ন হাদিসে এ রাতের ফজিলতের আলোচনা এসেছে।

মুয়াজ ইবনে জাবাল (রা.) থেকে বর্ণিত এক হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন— 

বিজ্ঞাপন

আল্লাহ তাআলা অর্ধ শাবানের রাতে (শাবানের চৌদ্দ তারিখ দিবাগত রাতে) সৃষ্টির দিকে (রহমতের) দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও বিদ্বেষ পোষণকারী ব্যতীত সবাইকে ক্ষমা করে দেন।(সহিহ ইবনে হিব্বান, হাদিস : ৫৬৬৫)

শবে বরাত ও শবে কদরের বিশেষ কোনো আমল নেই। বিশুদ্ধ মতানুসারে এই দুই রাতে একাকী আমল করার কথা রয়েছে। তবে স্বাভাবিক নিয়মে ফরজ নামাজ অবশ্যই মসজিদে পড়তে হবে। এবং জামাতের সঙ্গে আদায় করা জরুরি। তাছাড়া কোনো নফল ইবাদত-বন্দেগি করতে ইচ্ছে হলে— নিজ নিজ ঘরে একাকী করবে।

বিভিন্ন বর্ণনায় এ রাতে দীর্ঘ নামাজ পড়া, দীর্ঘ সিজদা করা এবং দোয়া-ইস্তেগফার করার সুস্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে। (শুআবুল ইমান, বায়হাকি : ৩/৩৮২, ৩৮৩)

বিজ্ঞাপন

এসব নফল আমলের জন্য মসজিদে সমবেত হতে হয় না। দলে দলে কোথাও একত্রিত হওয়ারও প্রয়োজন নেই। এই রাতে এভাবে আমলের কথা হাদিসের কোথাও উল্লেখ নেই। সাহাবায়ে কেরামের সময়কালেও এমন রেওয়াজ ছিল না। অবশ্য, কোনো ধরনের আহ্বান ও কোনো প্রকার ঘোষণা ছাড়া কেউ মসজিদে একত্রিত হয়ে গেলে ভিন্ন কথা। তখন তারা একাকী ও আলাদাভাবে ইবাদত করবে।

এনটি

অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন

আমলইবাদতসওয়াবফজিলতগুনাহক্ষমারমজানরমজান পরামর্শনামাজের সময়সূচি

ফলো করুন

MessengerWhatsAppGoogle News

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

রমজানের শেষ দিনগুলো যে কারণে গুরুত্বপূর্ণ

রমজানের শেষ দিনগুলো যে কারণে গুরুত্বপূর্ণ

শেষ দশকে আমল-ইবাদত বৃদ্ধি করবেন যে কৌশলে

শেষ দশকে আমল-ইবাদত বৃদ্ধি করবেন যে কৌশলে

রমজানের শেষ দশকে পরিবারকে নিয়ে যেসব আমল করবেন

রমজানের শেষ দশকে পরিবারকে নিয়ে যেসব আমল করবেন

শেষ দশকে যেসব ইবাদতে মনোযোগ বাড়াতে বললেন সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি

শেষ দশকে যেসব ইবাদতে মনোযোগ বাড়াতে বললেন সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি