বিজ্ঞাপন

ফিতরার টাকা মসজিদ নির্মাণে ব্যবহার করা যাবে?

ফিতরার টাকা মসজিদ নির্মাণে ব্যবহার করা যাবে?

সদকাতুল ফিতর প্রত্যেক এমন মুসলমানের ওপর ওয়াজিব, যিনি ঈদুল ফিতরের দিন অর্থাৎ ১ শাওয়াল ভোরে নিজের মৌলিক প্রয়োজন ও ব্যবহার্য জিনিসপত্রের বাইরে এমন পরিমাণ সম্পদের মালিক হন, যার মূল্য সাড়ে বায়ান্ন তোলা রুপার দামের সমান বা তার বেশি। এ ক্ষেত্রে সম্পদ নগদ অর্থ, সোনা, রুপা কিংবা অন্য যেকোনো ধরনের সম্পদ হতে পারে। 

ফিতরা ওয়াজিব হওয়ার জন্য ওই সম্পদের ওপর এক বছর পূর্ণ হওয়া শর্ত নয়। একইভাবে ব্যক্তি নিজের পক্ষ থেকে এবং তার অধীনস্থ নাবালক সন্তানদের পক্ষ থেকেও ফিতরা আদায় করবেন

যাকাত ও ফিতরা হল ওয়াজিব সদাকা। আর ওয়াজিব সদকা মসজিদে দান করা জায়েজ নেই। মসজিদের উন্নয়ন কাজে ব্যবহার করার জন্য যাকাত ও ফিতরার টাকা দেয়া যাবে না। কারণ, ওয়াজিব সদাকা প্রদানের জন্য আটটি খাত নির্ধারিত। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন,

নিশ্চয় সদাকা হচ্ছে ফকীর ও মিসকীনদের জন্য এবং এতে নিয়োজিত কর্মচারীদের জন্য, আর যাদের অন্তর আকৃষ্ট করতে হয় তাদের জন্য; (তা বণ্টন করা যায়) দাস আজাদ করার ক্ষেত্রে, ঋণগ্রস্তদের মধ্যে, আল্লাহর রাস্তায় এবং মুসাফিরদের জন্য। এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত, আর আল্লাহ মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়। (সুরা তাওবা, আয়াত : ৬০)

মসজিদ এই আট খাতের মধ্যে পড়ে না, তাই মসজিদের কোন কাজে যাকাত ফিতরার টাকা খরচ করা জায়েজ হবে না।

এনটি