বিশ্বকাপের আগমুহূর্তে সিরিজ খেলবে পাকিস্তান-অস্ট্রেলিয়া, সূচি ঘোষণা

সম্প্রতি শ্রীলঙ্কার মাটিতে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলেছে পাকিস্তান। ৬ উইকেটের জয়ে সফরকারীদের লড়াই শুরুর পর দ্বিতীয় ম্যাচ বৃষ্টির জন্য ভেস্তে যায়। তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে জিতে লঙ্কানরা সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ করে। চলতি মাসের শেষদিকে সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে আরেকটি সিরিজ খেলবে পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়া। যা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে উভয়ের জন্য চূড়ান্ত ধাপের প্রস্তুতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
লাহোর গাদ্দাফি স্টেডিয়ামেই হবে টি-টোয়েন্টি সিরিজের সবকটি ম্যাচ। আগামী ২৯ ও ৩১ জানুয়ারি এবং ১ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সময় অনুযায়ী সন্ধ্যায় এসব লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে পাকিস্তান-অস্ট্রেলিয়া। একদিন আগে (২৮ জানুয়ারি) লাহোরে পা রাখবে মিচেল মার্শের অজিবাহিনী। পরবর্তীতে ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ভারত ও শ্রীলঙ্কার মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হবে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানি ‘এ’ গ্রুপে পড়েছে ভারতের পাশাপাশি যুুক্তরাষ্ট্র, নেদারল্যান্ডস ও নামিবিয়ার সঙ্গে। অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়ার ‘বি’ গ্রুপে প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা, আয়ারল্যান্ড, জিম্বাবুয়ে এবং ওমান। ২০২২ সালের মার্চ-এপ্রিলের পর থেকে এ নিয়ে তৃতীয় দফায় পাকিস্তানে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। এর বাইরে সর্বশেষ ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে তারা দেশটিতে ৩টি ম্যাচ খেলেছে। গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে অজিরা এর আগে ২০২২ সালের ৫ এপ্রিল একমাত্র টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছে, যেখানে তাদের জয় ৩ উইকেটে।
আসন্ন সিরিজকে কেন্দ্র করে পিসিবির চিফ অপারেটিং অফিসার সুমাইর আহমেদ সৈয়দ জানিয়েছেন, ‘লাহোরে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ৩ ম্যাচ সিরিজ আয়োজন নিয়ে আমরা রোমাঞ্চিত। যা পাকিস্তান ক্রিকেটভক্তদের জন্য এই বছরের ব্লকবাস্টার সূচনা হতে যাচ্ছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতিমূলক এই সিরিজে উভয় দলকে সমর্থন দিতে আপনাদের আহ্বান জানাই। ২০২২ সালে গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে একটি করে টেস্ট-টি টোয়েন্টি ও ৫টি ওয়ানডে খেলেছে অস্ট্রেলিয়া। আশা করি এবারও তারা পরিচিত সমর্থন পাবে।’
২০২৪ সালের নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সর্বশেষ সফর করেছে পাকিস্তান। যেখানে মোহাম্মদ রিজওয়ানের নেতৃত্বে তারা ২০০২ সালের পর প্রথম কোনো ওয়ানডে সিরিজ (২-১) জিতে। একই সফরে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে জিতে নেয় স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া। এখন পর্যন্ত দুই দল ২৮ বার টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে মুখোমুখি হয়েছিল। এর মধ্যে অজিরা ১৪ এবং পাকিস্তানের জয় ১২ ম্যাচে। এ ছাড়া ১ ম্যাচ টাই ও আরেকটি পরিত্যক্ত হয়।
এএইচএস