রাজশাহীর ‘সম্মানিত’ মুশফিকের হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়

বিপিএল নিলামে নাটকীয়ভাবে মুশফিকুর রহিম দল পেয়ে যান। প্রথম ডাকে কোনো দল তাকে নিয়ে আগ্রহ দেখায়নি। দ্বিতীয় দফার ডাকে শেষ দিকে দল পেয়ে যান। নিয়ম অনুযায়ী তার ক্যাটাগরি এক ধাপ নামার কথা থাকলেও সম্মান দেখিয়ে তাকে আগের ক্যাটাগরিতে দলে টানে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। এই দলের হয়ে এবার ট্রফিও জিতলেন বাংলাদেশের উইকেটকিপার ব্যাটার।
এই আসরে মুশফিক খেলেছেন ১৩ ম্যাচ। ১১ ইনিংসে এক ফিফটিতে ২৫৮ রান নিয়ে শীর্ষ ব্যাটারদের তালিকায় আটে আছেন তিনি। সর্বোচ্চ ৫১ রানের ইনিংস খেলেছেন। স্ট্রাইক রেট ১১০ এর উপরে। এছাড়া চল্লিশের ঘরে আরও দুটি ইনিংস ছিল তার। দলকে ফাইনালে লিগ পর্বের টেবিলের শীর্ষে তুলতে তার অবদান কম নয়।
বিপিএলের ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ১৫০ ম্যাচ খেলার কীর্তি গড়েন মুশফিক। পরে ফাইনালসহ আরও তিনটি ম্যাচে খেলে রাজশাহীর হয়ে তিনি প্রথম ট্রফি জিতলেন।
বিপিএলে মুশফিক ২০১২ সাল থেকে প্রতি আসরেই খেলেছেন। টুর্নামেন্ট ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তিনি। তবে অভিজ্ঞ এই তারকা ক্যারিয়ারের শেষ লগ্নে এসে বাজিমাত করে যাচ্ছেন। এনিয়ে দুটি ভিন্ন দলের হয়ে টানা তিনটি শিরোপা জিতলেন মুশফিক। ২০২৪ সালে ফরচুন বরিশালের হয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম বিপিএল ট্রফি জেতেন, পরের বছর একই দলের হয়ে তিনি দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হন। আর এবার বিপিএলে দর্শক হয়ে থাকার আশঙ্কায় পড়েছিলেন, শেষ পর্যন্ত দল পেয়ে টানা তৃতীয়বার ট্রফি উঁচিয়ে ধরলেন ৩৮ বছর বয়সী ‘মিস্টার ডিপেন্ডেবল’।
এফএইচএম/