চ্যাম্পিয়ন সাবিনাদের আলো ঝলমলে বরণ, নেই কোনো ঘোষণা

বাংলাদেশ নারী ফুটসাল দল সাফের অভিষেক আসরেই অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। থাইল্যান্ডের ব্যাংকক থেকে গতকাল সন্ধ্যায় সাবিনারা দেশে পৌঁছান। বিমানবন্দর থেকে ছাদ খোলা বাসে হাতিরঝিলে এম্পিথিয়েটারে আসেন। সেখানে আলো ঝলমলে ঘণ্টা দেড়েকের অনুষ্ঠান হয়। তবে ঐতিহাসিক এই অর্জনে ফেডারেশন কোনো আর্থিক পুরস্কার বা বিশেষ কোনে ঘোষণা দেয়নি।
২০২৪ সালে সাফ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর সাবিনাদের দেড় কোটি টাকা বোনাস ঘোষণা করেছিল ফেডারেশন। এক বছরের বেশি সময় পার হলেও সেই টাকা পাননি ফুটবলাররা। তাই ঋতুপর্ণারা এশিয়া কাপ নিশ্চিত করার পরও কোনো ঘোষণা দেয়নি ফেডারেশন। সেটা অনুকরণ করে এবার ফুটসাল চ্যাম্পিয়ন দলকে ছাদ খোলা বাস ও হাতিরঝিলে আলো ঝলমলে অনুষ্ঠান করা হয়েছে।
বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল অধিনায়ক সাবিনার প্রশংসা করে বলেন, ‘অভিনন্দন বাংলাদেশ নারী ফুটসাল দল। অধিনায়ক সাবিনাকে ধন্যবাদ এবং অভিনন্দন। কারণ সাবিনা বাংলাদেশে একমাত্র ত্রীড়াবিদ, যে কি না দুইটা ভিন্ন খেলায় তিনবার দেশকে সাফ জিতিয়েছেন। তার নাম বাংলাদেশে যুগের যুগ মনে রাখবে। জানি না তার এই রেকর্ড কেউ ভাঙতে পারবে কি না।’
সাবিনার এত প্রশংসা করলেও কোচ পিটার বাটলারের একগুঁয়ে আচরণে জাতীয় দলে ডাক পান না ৷ ব্যক্তি আক্রোশ জাতীয় দলে প্রতিফলিত হচ্ছে বলে ফুটবলসংশ্লিষ্ট অনেকে মনে করলেও বাফুফে সভাপতি এই দুরত্ব ঘোচানোর প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেননি সাম্প্রতিক সময়ে৷
সাবিনা গতকাল অনুষ্ঠানে তার বক্তব্যে বলেন, 'সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা। আপনাদের জন্যই এই অর্জন, এটা আপনাদের উৎসর্গ করতে চাই।
বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল স্যারের প্রতি কৃতজ্ঞতা, ফুটসাল টিম ম্যানেজার, কোচিং স্টাফ এবং দলের সঙ্গে যারাই ছিলেন সবার জন্যই এটা সম্ভব হয়েছে। দেশের সমর্থকেরা যেভাবে সাপোর্ট করেন তাদের জন্য এই ট্রফি উৎসর্গ করছি।’
বাংলাদেশ দলের ইরানি কোচ সাঈদ খোদারাহমি বলেন, ‘বাংলাদেশের সব মানুষের ফুটসাল দলের প্রতি এই সমর্থনের জন্য আমি খুশি। বাংলাদেশে ৫ মাস হলো ফুটসাল নতুন শুরু। একটা কাপ জেতা হয়েছে, এভাবে আসতেই থাকবে ইনশাআল্লাহ। ' ফুটসাল কমিটির চেয়ারম্যান ইমরানুর রহমান বলেন,' আসলে ফুটসাল শুরু হয়েছে ৫ মাস, কিন্তু মেয়েদের ফুটসাল কিন্তু এক মাস। আর তারা এই সময়ের মধ্যে একটা ট্রফি এনেছে। ১৪ জন বাঘিনী কন্যার জন্য বড় একটা করতালি দিবেন। সব কৃতিত্ব খেলোয়াড়দের।’
এজেড/বিআরইউ