ফারহানের রেকর্ড সেঞ্চুরির পর ৩৪ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তানের ২১২

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সাহিবজাদা ফারহান ও ফখর জামানের রেকর্ড গড়া জুটিতে পাকিস্তান ২১২ রান করেছে ৮ উইকেট হারিয়ে। পাকিস্তানের সংগ্রহ আরও বড় হতে পারতো। কিন্তু ৩৪ রানের ব্যবধানে ৮ উইকেট হারায় তারা। বিনা উইকেটে ১৭৬ রান তোলা পাকিস্তান ২১০ রানে ৮ উইকেট হারায়।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে পাকিস্তান পাওয়ার প্লেতে ৬৪ রান তোলে। ১০০ রান হয় দশম ওভার শেষ হওয়ার এক বল আগেই। ফারহান ততক্ষণে হাফ সেঞ্চুরি করে ফেলেছেন। গড়েছেন এক বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড।
এই জুটিতেই দেড়শ ছোঁয় পাকিস্তান ১৪তম ওভারের শেষ বলে। ৯৪ বল টিকে থাকার পর এই জুটি ভেঙে যায়। চলতি আসরেই সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে গড়া নিউজিল্যান্ডের টিম সেইফার্ট ও ফিন অ্যালেনের রেকর্ড ১৭৫ রানের জুটিকে টপকে যান দুজনে।
১৬তম ওভারের পঞ্চম বলে দুষ্মন্ত চামিরা ১৭৬ রানের জুটি ভেঙে দেন ফখরকে ফিরিয়ে। পাকিস্তানের ওপেনার ৪২ বলে ৯ চার ও ৪ ছয়ে ৮৪ রানে আউট হন। বোল্ড হন তিনি।
পরের ওভারে দিলশান মাদুশাঙ্কার বলে থামেন খাজা নাফাই। দুইশ থেকে ২ রান দূরে থাকতে শাদাব রান আউট হন। ১৯তম ওভারের প্রথম বলে প্রথম ব্যাটার হিসেবে বিশ্বকাপের এক আসরে দুটি সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েন। বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ তিনটি সেঞ্চুরি বাবর আজমের। যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ফারহান ও ক্রিস গেইলের।
৫৯ বলে ৯ চার ও ৫ ছয়ে ফারহান সেঞ্চুরি করার পরের তিন বলে পাকিস্তান দুটি উইকেট হারায়। ওই ওভারের পঞ্চম বলে উসমান খানের চারে দুইশ ছাড়ায় স্কোর। শেষ ওভারের প্রথম বলে ফারহান থামেন। ৬০ বলে ৯ চার ও ৫ ছয়ে ১০০ রানে আউট হন তিনি। জেনিথ লিয়ানাগে তার ক্যাচ নেন, বোলিংয়ে ছিলেন মাদুশাঙ্কা। চলতি আসরে ৬ ইনিংসে ৯৫.৭৫ গড়ে ৩৮৩ রান তার।
শাহিন আফ্রিদি চার মারার পরের বলে আউট হন ২ বল খেলে। পঞ্চম বলে নাসিম শাহ রান আউট হন।
মাদুশাঙ্কা সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন। শানাকা পান দুটি উইকেট।
এফএইচএম/