বড় জয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টারে লিভারপুল-বায়ার্ন

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে শেষ ষোলোর প্রথম লেগে গালাতাসারের মাঠ থেকে ১-০ ব্যবধানে হেরে এসেছিল লিভারপুল। তবে ফিরতি লেগ ঘরের মাঠ অ্যানফিল্ডে হওয়ায় আর্নে স্লটের দল আশাবাদী ছিল। সেই আশার ভেলায় প্রতিপক্ষ তুর্কি ক্লাবটিকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে কোয়ার্টারে উঠেছে লিভারপুল। আরেক ম্যাচে ইতালিয়ান ক্লাব আতালান্তাকে ৪-১ গোলে হারিয়ে বায়ার্ন মিউনিখও সেরা আটে জায়গা করে নিলো।
বিজ্ঞাপন
গতকাল (বুধবার) দিবাগত রাতে শেষ হয়েছে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শেষ ষোলোর ফিরতি লেগ। ঘরের মাঠ অ্যানফিল্ডে গালাতাসারেকে আতিথ্য দিতে নেমে ম্যাচজুড়ে দাপট দেখিয়েছে লিভারপুল। যা তাদের জন্য স্বস্তিরও, কারণ চলতি মৌসুমে তুর্কি ক্লাবটির সঙ্গে তিনবারের দেখায় অলরেডরা এবারই প্রথম জয়ের দেখা পেল। প্রথম রাউন্ডের পর শেষ ষোলোর প্রথম লেগেও তারা গালাতাসারের কাছে সমান স্কোর (১-০) নিয়ে হেরেছিল।
ম্যাচটিতে স্বাগতিকরা ৫৬ শতাংশ পজেশন রেখে গোলের জন্য ৩২টি শট নিয়ে ১৬টি লক্ষ্যে রাখতে পারে। বিপরীতে গালাতাসারে মাত্র দুটি শটের মধ্যে লক্ষ্যে ছিল একটি। খেলার প্রথমার্ধে ডমিনিক সোবোজলাই স্বাগতিকদের এগিয়ে নেওয়ার পর, দ্বিতীয়ার্ধের ১১ মিনিটের মধ্যে একের পর এক গোল করেন হুগো একিটিকে, রায়ান গ্রাভেনবার্চ ও মোহামেদ সালাহ। অবশ্য পেনাল্টিতে আরেকটি গোলের সুযোগ ছিল মিশরীয় তারকার সামনে, তিনি মিস করেছেন।
সোবোজলাই প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ফাউলের শিকার হলে লিভারপুল পেনাল্টি পায়। এরপর সালাহ’র দুর্বল স্পটকিক ঠেকাতে বেগ পেতে অসুবিধা হয়নি গালাতাসারে গোলরক্ষকের। পরবর্তীতে ৬২ মিনিটে চমৎকার বাঁকানো শটে মিশরীয় ফরোয়ার্ড চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ৫০ গোলের মাইলফলক পূর্ণ করেন। এর আগে ২৫ মিনিটে কর্নার থেকে বল পেয়ে জোরালো শটে সোবোজলাই, ৫১ মিনিটে একিটিকে এবং পরের মিনিটেই গোল করেন গ্রাভেনবার্চ। দুই লেগ মিলিয়ে লিভারপুলের জয় ৪-১ অ্যাগ্রিগেটে।
বিজ্ঞাপন
অন্যদিকে, প্রথম লেগ শেষেই কোয়ার্টারে এক পা দিয়ে রেখেছিল জার্মান চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন মিউনিখ। আতালান্তার মাঠ থেকে তারা ৬-১ ব্যবধানের বড় জয় নিয়ে ফিরেছিল। এবার ঘরের মাঠ অ্যালিয়াঞ্জ অ্যারেনায় জিতল ৪-১ ব্যবধানে। দুই লেগ মিলিয়ে ১০-২ গোলবন্যায় আতালান্তাকে ভাসিয়ে দিলো ভিনসেন্ট কোম্পানির শিষ্যরা। তাদের পক্ষে হ্যারি কেইন জোড়া এবং লেনার্ট কার্ল ও লুইস দিয়াজ একটি করে গোল করেছেন।
২১ মিনিটে বাভারিয়ানরা লিড নেয় পেনাল্টির সুবাদে। আতালান্তা ডিফেন্ডারের হাতে বল লাগলে রেফারি বাঁশি বাজান। স্পটকিকে প্রথম সাফল্য পান কেইন। ৪৪ মিনিটে এই ইংলিশ তারকাই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। এর মধ্য দিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ৬৬ ম্যাচে ৫০তম গোল মাইলফলক পূর্ণ করলেন কেইন, চলতি মৌসুমে এটি তার ৪৭তম গোল। ৫৬ মিনিটে কার্ল ও ৭০ মিনিটে দিয়াজের গোলের পর বায়ার্নের বড় জয় নিশ্চিত হয়। শেষদিকে আতালান্তার পক্ষে সান্ত্বনাসূচক গোল করেছেন লাজার সামারডজিক।
এএইচএস