ভারতের বিশ্বকাপজয়ী দুই সাবেক অধিনায়ক কপিল দেব এবং মহেন্দ্র সিংহ ধোনির কাছে ক্ষমা চাইলেন যুবরাজ সিং। অবশ্য ভারতীয় দলের সাবেক এই ব্যাটার নিজের জন্য নয়, তিনি লজ্জিত বাবা যোগরাজ সিংয়ের বেফাঁস মন্তব্যের জন্য।
বিজ্ঞাপন
বহু দিন ধরেই কপিল এবং ধোনিকে নিয়ে নানা বিতর্কিত মন্তব্য করে আসছেন যুবরাজের বাবা যোগরাজ। এ নিয়ে এতদিন চুপ ছিলেন যুবরাজ। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে যুবরাজ বলেছেন, ‘কপিল দেব এবং ধোনির কাছে ক্ষমা চাই। আমি বাবাকেও বলেছি, এগুলো ঠিক নয়।’ যুবরাজ বুঝিয়ে দিয়েছেন, বাবার মন্তব্যগুলো সমর্থন করেন না তিনি। যোগরাজের দাবি, কপিলের জন্য তার (যুবরাজ) ক্রিকেট জীবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। আর ধোনির জন্য যুবরাজের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট জীবন শেষ হয়ে গিয়েছে।
বাবার মন্তব্যের জন্য ক্ষমাপ্রার্থী হলেও যুবরাজ স্বীকার করে নিয়েছেন, তাকে টপকে ধোনির ভারতীয় দলের অধিনায়ক হয়ে যাওয়া মেনে নিতে পারেননি। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘ভারতীয় দলের বেশ কয়েকজনের সঙ্গে আমার সম্পর্ক বেশ ভালো। হরভজন সিং, বীরেন্দ্র শেবাগরা আমার ভালো বন্ধু। যদিও ভারতীয় দলে ওরা আমার চেয়ে সিনিয়র। তখন আমি সহ-অধিনায়ক ছিলাম। তা-ও ধোনি হঠাৎ কীভাবে অধিনায়ক হয়ে গিয়েছিল জানি না। কারণ যাই হোক, আইপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজি কখনও ভারতীয় ক্রিকেটকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। বিশেষ করে যখন কেউ ভারতীয় দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার জায়গায় থাকে। একজন ক্রিকেটারের দিক থেকে দেখলে বিষয়টা অত্যন্ত হতাশাজনক। কেউ দীর্ঘদিন ধরে অবদান রাখলে তো কথাই নেই।’
ধোনির নেতৃত্বে ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ২০১১ সালে একদিনের বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারত। দু’দলেই ছিলেন যুবরাজ। দলের সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদানও ছিল যুবরাজের। ধোনি অধিনায়ক হওয়ার পরও ভারতের একদিনের দলে কিছুদিন সহ-অধিনায়ক ছিলেন যুবরাজ।
বিজ্ঞাপন
এফআই
