বিজ্ঞাপন

মাঠে নামলেই ইতিহাস গড়বেন রোহিত-হার্দিকরা

অ+
অ-
মাঠে নামলেই ইতিহাস গড়বেন রোহিত-হার্দিকরা

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) অন্যতম সফল ফ্র্যাঞ্চাইজি মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। যৌথভাবে সর্বোচ্চ পাঁচবারের এই শিরোপাধারী দলটি ১৯তম আসরে আজ (রোববার) নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামবে। কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে মাঠে নামলেই ইতিহাস গড়বেন রোহিত শর্মা ও হার্দিক পান্ডিয়ারা। প্রথম ফ্র্যাঞ্চাইজি হিসেবে তারা ৩০০তম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার মাইলফলক গড়বে।

বিজ্ঞাপন

আজ রাত ৮টায় ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে শুরু হবে ম্যাচটি। ২০০৮ সালে আইপিএলের যাত্রাকাল থেকে তারকাখচিত দল হিসেবে যাত্রা শুরু করে মুম্বাই। তখন দলের কেন্দ্রে ছিলেন কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকার। তবে শুরুটা আশাব্যঞ্জক হলেও তাদের সাফল্য ঠিক ধারাবাহিক ছিল না। প্রথম শিরোপা জিততে তাদের অপেক্ষা করতে হয়েছে ৫ আসর। ২০১৩ আইপিএলের মাঝপথে রিকি পন্টিং মুম্বাইয়ের অধিনায়কত্ব ছাড়েন। দায়িত্ব তুলে নেন রোহিত শর্মা। তার হাত ধরেই ফ্র্যাঞ্চাইজিটির অগ্রযাত্রা শুরু হয়। 

পরবর্তী সময়ে পাঁচটি শিরোপা জিতলেও, মুম্বাইয়ের মূল সাফল্যের গল্প তাদের খেলার ধরনে লুকিয়ে আছে। টানটান উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ, শেষ মুহূর্তে জয়, আর গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দারুণ পারফরম্যান্স– এসব কিছুই গড়ে তুলেছে তাদের ঐতিহ্য। জাসপ্রিত বুমরাহ’র নিখুঁত বোলিং এবং ফিনিশিংয়ে কাইরন পোলার্ডের বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ের দৃশ্যগুলো মুম্বাইয়ের চিরস্মরণীয় স্মৃতি হয়ে আছে।

আইপিএলের বাইরে মুম্বাই তাদের শক্তিমত্তার স্বাক্ষর রেখেছে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টি-টোয়েন্টিতেও। ২০১১ সালে হরভজন সিংয়ের নেতৃত্বে শিরোপা জয় এবং ২০১৩ সালে ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক– দুই মঞ্চেই সাফল্য তাদের আরও উচ্চতায় নিয়ে যায়। তবে মুম্বাইয়ের খেলোয়াড়দের প্রতি ফ্র্যাঞ্চাইজি কর্তৃপক্ষের আস্থা তাদের অন্যতম শক্তির জায়গা। খেলোয়াড়দের প্রতি আস্থা, তাদের ধৈর্য্য ও দলগতভাবে এগিয়ে যাওয়ার সংস্কৃতি তাদের সর্বোচ্চ ৩০০তম ম্যাচ খেলার পথ সুগম করেছে।

বিজ্ঞাপন

আজ অবশ্য মুম্বাইয়ের সামনে আরেকটি গেরো খোলার সুযোগ হাতছানি দিচ্ছে। ২০১৩ সাল থেকে প্রতিটি আসরেই প্রথম ম্যাচ হেরে আসছে তারা। ২০১২ সালে শেষবার চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে মুম্বাই নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচ জিতেছিল। গত ১৩ বছর ধরে চলা এই অভিশাপ থেকে বেরিয়ে আসতে পারে কি না সেটা ম্যাচ শেষে বলা যাবে। মুম্বাইয়ের প্রধান কোচ মাহেলা জয়াবর্ধনে বললেন, ‘এটা একটা বড় সমস্যা। আমাদের ভিন্নভাবে প্রস্তুতি নেওয়ার উপায় নেই। ছেলেদের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ খেলার কথা বলেছি। আমরা আর কীভাবে প্রস্তুতি নিতে পারি, সেটা বুঝতে পারছি না। কারণ আমরা প্রায় প্রতি ম্যাচে একই প্রস্তুতি নিই। আশা করি এবার সেই গেরো কাটবে।’

এএইচএস