বিসিবির সর্বশেষ নির্বাচন নিয়ে গেল মাসে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। এ কমিটির সদস্যরা একে একে বেশ কয়েকজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলও মুখোমুখি হন তদন্ত কমিটির। তারা আজ (রোববার) এনএসসিতে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।
বিজ্ঞাপন
এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির প্রধান একেএম আসাদুজ্জামান বলেন, ‘কাউকে অভিযুক্ত করে নয়, আমরা নিরপেক্ষ অবস্থান থেকে তদন্ত করে রিপোর্ট জমা দিয়েছি। সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে আমরা চিঠি লিখেছিলাম। উনাকে অভিযুক্ত করার জন্য নয়, বরং বক্তব্য শোনা এবং উনি কিছু বলতে চান কি না তা জানার জন্য। আমরা উনাকে সময় দিয়েছিলাম এবং অপেক্ষা করেছি, কিন্তু উনি আমাদের কাছে আসেননি।’
গত ১১ মার্চ সাবেক বিচারপতির নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল এনএসসি। মূলত নির্বাচনী প্রক্রিয়া সুষ্ঠু হয়েছে কি না– সেটি খতিয়ে দেখাই ছিল কমিটির মূল দায়িত্ব। তদন্ত কমিটিকে ১৫ কার্যদিবসের সময় দেওয়া হলেও, নির্ধারিত সময়ের আগেই তারা প্রতিবেদন জমা দিলো।

বিজ্ঞাপন
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আমাদের সুপারিশ দিয়েছি। বিশেষ করে সম্পর্কগুলো কীভাবে আরও সুন্দর করা যায় এবং যেসব ভুল বা বিচ্যুতি পাওয়া গেছে তা কীভাবে সংশোধন করা সম্ভব, সে বিষয়ে আমরা নির্দিষ্ট কিছু সুপারিশ করেছি। সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গেই যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি। উনারা (নির্বাচন কমিশনের সদস্য) সরাসরি না আসলেও আমাদের প্রশ্নের লিখিত উত্তর দিয়েছেন। রিপোর্টে এসব তথ্য আপনারা বিস্তারিত পেয়ে যাবেন।’
প্রসঙ্গত, তৎকালীন সরকারের হস্তক্ষেপ ও নানা অনিয়মের অভিযোগে ঢাকার ক্লাব সংগঠকদের বড় একটি অংশ বিসিবির নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছিল। একইসঙ্গে তারা বয়কট করে আসছিল ঘরোয়া ক্রিকেট। যে কারণে এখনও বেশ কয়েকটি প্রতিযোগিতা মাঠে গড়ায়নি। জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠিত হওয়ার পর ক্রীড়া সংগঠকরা বিসিবির নির্বাচন নিয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দেন এনএসসির কাছে।
বিজ্ঞাপন
এসএইচ/এএইচএস
