আমিনুল ইসলাম বুলবুলের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে গিয়েছে গতকাল (মঙ্গলবার)। এরপর তামিম ইকবালকে সভাপতি করে ১১ সদস্যের এডহক কমিটি গঠন করে দেয় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। দায়িত্ব পাওয়ার পর আজ (বুধবার) দ্বিতীয়বারের মতো সভা করেন নতুন কমিটির সদস্যরা— যেখানে নারী ও পুরুষ ক্রিকেটারদের ঘরোয়া লিগে ম্যাচ ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
সভা শেষে তামিম বলেন, ‘আজকে কয়েকটা জিনিস দেখে আমি খুবই অবাক হয়েছি। আমাদের নারী ক্রিকেটার যারা ঘরোয়া ক্রিকেট খেলেন, তাদের ম্যাচ ফি সম্পর্কে আপনাদের ধারণা আছে? আমি জানি না আপনারা জানেন কি না। এটা একটা সময় ১ হাজার টাকা ছিল। তারপর এটাকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত করা হয়েছে। আমার কাছে মনে হয় এটা কোনোভাবেই ঠিক না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আজকে আমরা যেটা অনুমোদন দিয়েছি আমি বলব না, এটা খুব ভালো। কিন্তু এটা তুলনামূলক ভালো। কারণ সবকিছু বাড়ানোর একটা সীমাবদ্ধতা আছে। এখন থেকে তারা টি-টোয়েন্টি ম্যাচের জন্য ১০ হাজার টাকা, ওয়ানডের জন্য ১৫ হাজার টাকা এবং লঙ্গার ভার্সনের জন্য ২০ হাজার টাকা করে ম্যাচ ফি পাবেন।’ এছাড়া লঙ্গার ভার্সন ক্রিকেটের জন্য পুরুষরা পাবেন ১ লাখ টাকা করে, যা আগে ছিল ৭০ হাজার টাকা।
বিজ্ঞাপন
মেয়েদের ঘরোয়া ক্রিকেটারদের চুক্তির তালিকায় ৩০-৩৫ জন ক্রিকেটার আছেন। তাদের ৩০ হাজার টাকা করে মাসিক বেতন ছিল। সেটা বাড়িয়ে ৪০ হাজার করা হয়েছে।
তামিম আরও বলেন, ‘আমরা আজকে যেটা অনুমোদন দিয়েছি। এখন থেকে 'এ' ক্যাটাগরি ৬৫ হাজার, 'বি' ক্যাটাগরি ৫০ হাজার ও 'সি' ক্যাটাগরিতে প্রতি মাসে ৪০ হাজার টাকা পাবে।’
পুরুষ ক্রিকেটারদের বেতন বাড়ানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘পুরুষ ক্রিকেটের ক্ষেত্রে আমি যদি ভুল না করে থাকি গত প্রায় ৩-৪ বছর ধরে তাদের বেতন বাড়েনি। এতদিন পুরুষ ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রে ‘এ' ক্যাটাগরিতে ৩৫ হাজার, 'বি' ক্যাটাগরিতে ৩০ হাজার ও 'সি' ক্যাটাগরিতে ২৫ হাজার টাকা ছিল। আমার কাছে মনে হয় এটা অনেক কম।’
বিজ্ঞাপন
এসএইচ/এফএইচএম
