ম্যাচের মাঝে ইফতার বিরতিতে দুয়োর ঘটনায় গার্দিওলার তীব্র নিন্দা

ইলান রোডে লিডস ইউনাইটেডের মুখোমুখি হয়েছিল ম্যানচেস্টার সিটি। ম্যাচের ১১তম মিনিটে খেলা কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ রাখা হয়। সিটির মুসলিম খেলোয়াড়দের জন্য রমজানের রোজায় ইফতারের জন্য ওই বিরতি। কিন্তু সেই সময় লিডসের দর্শক-সমর্থকরা দুয়োধ্বনি দিতে থাকেন। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ম্যানসিটি কোচ পেপ গার্দিওলা।
পশ্চিম ইয়র্কশায়ারের আকাশে সূর্যাস্ত হতেই রেফারি সাময়িক সময়ের জন্য খেলা বন্ধ করে দেন। সিটির ওমর মারমৌশ, রায়ান আইত-নৌরি ও রায়ান শেরকি পানীয় পান করে রোজা ভাঙেন। সিটির আরেক মুসলিম খেলোয়াড় আব্দুলকদির খুসানোভও বেঞ্চ থেকে উঠে ইফতারিতে অংশ নেন। এই সময় লিডসের গ্যালারি থেকে দর্শকরা বিদ্রুপ শব্দ উচ্চারণ করতে থাকে।
এই ঘটনা নিয়ে ম্যাচের ফুলটাইমের পর কথা বলেছেন গার্দিওলা। তিনি বলেন, মাঠে ধর্মীয় রীতি ও বৈচিত্রের প্রতি সম্মান প্রদর্শন আবশ্যক। তার কথা, ‘এখন আধুনিক যুগ, ঠিক? দেখুন বিশ্বে ঠিক এখন কী ঘটছে, আজ আবারো। আপনাকে ধর্ম ও বৈচিত্রের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করতে হবে, এটাই বিষয়। প্রিমিয়ার লিগ বলেছিল, রোজা রাখার কারণে আপনি এক বা দুই মিনিট ইফতারের জন্য পাবেন, তাই খেলোয়াড়রা সেটা করেছে। কিন্তু যা হলো, সেটা দুর্ভাগ্যজনক।’
বৈষম্যবিরোধী গ্রুপ কিক ইট আউট এক বিবৃতি দিয়ে এই বিরতিকে ‘এখন থেকে বেশ কয়েক বছর আগের সম্মত নিয়ম’ অভিহিত করেছে।
তারা বলেছে, ‘এটা খুবই হতাশাজনক যে কিছু লিডস ইউনাইটেড ভক্তরা দুয়ো দিয়েছে, যখন ম্যানসিটির খেলোয়াড়রা আজ সন্ধ্যায় ইলান রোডে অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথমার্ধে তাদের রোজা ভাঙছিল। বিষয়টি আরও জটিল হয়ে ওঠে যখন স্টেডিয়ামের ভেতরের বড় স্ক্রিনে এই বিষয়ে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়।’
সিটি ম্যাচটি জিতেছে ১-০ গোলে। আন্তোয়ান সেমেনিও করেন একমাত্র গোল।
এফএইচএম/