চীনের বিপক্ষেও হাই লাইন ডিফেন্স!

কমনওয়েলথ ব্যাংক স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ দলের প্রেস কনফারেন্স ছিল স্থানীয় সময় দুপুর বারোটায়। চীনের প্রেস কনফারেন্স একটু বেশি সময় ধরে হয়েছে। তাই বাংলাদেশের প্রেস কনফারেন্স শুরু হয়েছে মিনিট পনেরো পরে। বাংলাদেশের অধিনায়ক আফিদা খন্দকার হেড কোচ পিটার বাটলারের সঙ্গে সম্মেলন মঞ্চে বসেন।
বাংলাদেশের গ্রুপে রয়েছে শক্তিশালী চীন ও উত্তর কোরিয়া। দুই দলের আক্রমণভাগই বেশ শক্তিশালী। বাংলাদেশের ডিফেন্সের ওপর দিয়ে ঝড় বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস। এশিয়া কাপ নিশ্চিত করার পর থাইল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশকে হাই লাইন ডিফেন্সে খেলে অনেক গোল হজম করতে হয়েছে। এই পজিশনে গোলরক্ষক ও ডিফেন্সের মধ্যে ফাঁক থাকে অনেক। চীনের বিপক্ষে ডিফেন্স নিয়ে কোচ পিটার বাটলার বলেন, ‘এমন দলের বিপক্ষে খেলতে হলে অবশ্যই ডিফেন্স ঠিক রাখতে হবে। ডিফেন্সের কৌশল ও ৩ না ৪-৫ জন সেটা মাঠেই দেখা যাবে।’
বাংলাদেশের অধিনায়ক আফিদা রক্ষণভাগের অন্যতম ভরসা। চীনের অনেক আক্রমণ তাকেই সামনে থেকে সামাল দিতে হবে। কোচ বাটলার সরাসরি হাই লাইন ডিফেন্স নিয়ে কিছু না বললেও অধিনায়ক অবশ্য বললেন, ‘আমরা এখানে বেশ কিছু দিন ধরেই অনুশীলন করছি। দিনকে দিন উন্নতি করছি। আমরা হাই লাইন ডিফেন্সেই খেলব, যা খেলেছি।’
আগামীকাল চীনের বিপক্ষে বাংলাদেশের ম্যাচ সন্ধ্যা সাতটায়। এই সময়ে সিডনিতে একটু বেশি বাতাস ও ঠান্ডা আবহাওয়া থাকে। সন্ধ্যায় খেলা হওয়ায় ফ্লাডলাইটের আলোয় খেলতে হবে ঋতুপর্ণাদের। বাংলাদেশ সিডনিতে এক সপ্তাহ দিনের আলোয় সকালে অনুশীলন করেছে। এ নিয়ে বাটলার বলেন, ‘এটা কোনো সমস্যা হবে বলে মনে করি না। আমরা জুবলি স্টেডিয়ামে যে মাঠে অনুশীলন করেছি সেটাও অনেক ভালো।’
বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল অনেক সাফল্য এনেছে গত কয়েক বছর। সাফল্য আনার পরও সুযোগ-সুবিধা তুলনামূলক কমই। বিশেষ করে মাঠ নিয়ে ভুগতে হয় অনেক। অস্ট্রেলিয়ায় অত্যন্ত সুন্দর সুযোগ সুবিধা। এ রকম সুবিধা পেলে আরও ভালো খেলার সম্ভাবনা ও সুযোগ দুটোই বাড়তো। এ নিয়ে প্রশ্ন হলে অধিনায়ক আফিদার কৌশলী উত্তর, ‘গত কয়েক বছর ফ্যাসিলিটি বাড়ছে। আশা করি সামনে আরও বাড়বে৷’
এজেড/এফএইচএম