বিজ্ঞাপন

টেলিকম স্থাপনায় অগ্রাধিকার জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহের আহ্বান

অ+
অ-
টেলিকম স্থাপনায় অগ্রাধিকার জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহের আহ্বান

দেশের টেলিকম অবকাঠামোর নিরবচ্ছিন্ন কার্যক্রম নিশ্চিত করতে সরকারকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জ্বালানি সরবরাহ ও স্থায়ী বিদ্যুৎ সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য জরুরি আহ্বান জানিয়েছে অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ (এমটব)। সংস্থাটি বলছে, জ্বালানি সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে দেশের টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হতে পারে এবং ডিজিটাল অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, জ্বালানি সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে দেশের টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হতে পারে এবং ডিজিটাল অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ইতোমধ্যে মাঠপর্যায়ে এর প্রভাব দেখা যাচ্ছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

এমটব জানায়, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট ও ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার শুরুতেই তারা সরকারকে সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করেছিল। সরকার নির্দেশনা দিলেও বাস্তবায়নে এখনো ঘাটতি রয়েছে বলে দাবি করা হয়।

সংস্থাটি আরও জানায়, সাম্প্রতিক ঝড়ের কারণে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট বেড়েছে এবং বিদ্যুৎ পুনরুদ্ধারে সময় লাগছে। এতে টেলিকম নেটওয়ার্কের কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এই পরিস্থিতিতে এমটব সরকারের কাছে কয়েকটি জরুরি পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছে। 

এর মধ্যে রয়েছে— টেলিকম স্থাপনায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জ্বালানি সরবরাহ, বিটিএস সাইটগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করা, রক্ষণাবেক্ষণ কাজে ব্যবহারের জন্য আলাদা জ্বালানি বরাদ্দ, গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় লোডশেডিং কমানো এবং ঝড়ের পর দ্রুত বিদ্যুৎ পুনরুদ্ধার।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে প্রায় ৪৫ হাজার টেলিকম টাওয়ারসহ বিপুল অবকাঠামো রয়েছে, যা সাড়ে ১৮ কোটি মানুষের সংযোগ নিশ্চিত করে। এই নেটওয়ার্ক চালু রাখতে ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয়। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় এসব সেবা মূলত ডিজেলচালিত জেনারেটরের ওপর নির্ভর করে।

বিজ্ঞাপন

আরএইচটি/এসএম