করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে বিআইডব্লিউটিসি শনিবার ভোর ৬টা থেকে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ রেখেছে। ফেরি বন্ধ থাকার বিষয়টি না জানার কারণে ঘাটে এসে বিপাকে পড়েছেন হাজারো যাত্রী ও যানবাহন চালকরা। তবে সীমিত পরিসরে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ৩টি ফেরি চলাচল শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।

শনিবার (৮ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় দেখা যায়, সকাল থেকে ঘাট এলাকায়  যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় এবং ব্যক্তিগত ছোট গাড়ির দীর্ঘ সারি লক্ষ্য করা গেছে। তবে যাত্রীদের ভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনা করে ঘাট কর্তৃপক্ষ তিনটি ফেরি পাটুরিয়া থেকে দৌলতদিয়া ঘাটের উদ্দেশে ছেড়ে দিয়েছে। ঘাট এলাকায় আগত যাত্রীরা মাস্ক ব্যবহার করলেও সামাজিক দূরত্ব রক্ষার কোনো বালাই ছিল না। স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করেই ঈদে বাড়ি যাচ্ছেন যাত্রীরা।

যাত্রী, ব্যক্তিগত ছোট গাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স ও লাশবাহী গাড়ি নিয়ে পাটুরিয়া থেকে দৌলতদিয়া ঘাটের উদ্দেশে ছেড়ে গেছে কেরামত আলী, মাধবীলতা ও নারায়ণগঞ্জ নামে তিনটি ফেরি।

হানিফ নামে যশোরগামী এক যাত্রী বলেন, অনেক দিন গ্রামের বাড়িতে যাই না। বাবা-মায়ের সঙ্গে ঈদ করতেই ভোগান্তি আর করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়েই যাচ্ছি।

সুবহান হোসেন নামে ছোট গাড়ির চালক বলেন, ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়া যাচ্ছি। ফেরি বন্ধের বিষয়টি ঘাটে এসে শুনলাম। এখন পারাপারের জন্য অপেক্ষা করছি। 

এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিসির আরিচা কার্যালয়ের ডিজিএম মো. জিল্লুর রহমান ঢাকা পোস্টকে বলেন, করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সরকার ঘোষিত কঠোর বিধিনিষেধ চলছে। বিআইডব্লিউটিসির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে ঘাটে আগত যাত্রীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। তবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে লাশবাহী গাড়ি ও অ্যাম্বুলেন্স পারাপারে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে সীমিত পরিসরে ৩টি ফেরি চলছে। এসব ফেরিতে যানবাহন ও যাত্রী পারাপার শুরু করা হয়েছে।

সোহেল হোসেন/এসপি