বেশ কিছু দিন বাড়তি দাম যাওয়ার পর কিছুটা কমতে শুরু করেছে সবজির দাম। বর্তমানে সবজি প্রতি কেজির সর্বনিম্ন দামের বলতে চলছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। তবে কিছু কিছু সবজি মৌসুম না হওয়ায় সেগুলো এখনও ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 

বিগত কয়েক মাসের হিসাব করলে সেই তুলনায় বাজারে সবজির দাম কিছুটা কমেছে। তবে ক্রেতারা বলছেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এখনও সবজির দাম বাড়তিই আছে। অন্যদিকে বিক্রেতাদের দাবি, পরিবহনসহ সব ধরনের খরচ বেড়ে যাওয়ায় সবজির দাম কিছুটা বাড়তি ছিল।

শুক্রবার (৯ জুন) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে করলা বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৭০ টাকা, শসা ৬০ টাকা, বেগুন ৬০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, কাঁচা কলা প্রতি হালি ৪০ টাকা, বরবটি প্রতি কেজি ৬০ টাকা, পেঁপে ৫০ টাকা, ঝিঙা ৪০ টাকা, ধুন্দল ৪০ টাকা, গাজর ৮০ টাকা, চাল কুমড়া ও জালি প্রতি পিস ৪০ টাকা, কাঁচামরিচ প্রতি কেজি ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ টাকা, টমেটো ৮০ টাকা, মূলা ৪০, কাঁকরোল ৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া প্রতি কেজি ৪০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মহাখালী কাঁচাবাজারে বাজার করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী হুমায়ন কবির বলেন, সবজির দাম বাড়তিই। তবে গত কয়েক সপ্তাহের তুলনায় কিছুটা কমেছে দাম। কয়েক মাস থেকে গত সপ্তাহ পর্যন্ত ৬০/৭০ এর ঘরে ছিল সব সবজির দাম। তবে আজকের বাজারে ৪০/৫০ টাকায় কিছু সবজি পাওয়া যাচ্ছে।আবার অনেক সবজি আছে যেগুলো এখনও ৭০/৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

গুলশান সংলগ্ন লেকপাড় বাজারে সবজি বিক্রেতা রুহুল আমিন বাচ্চু বলেন, গত কিছুদিন ধরে সবজির যে দাম ছিল সেই তুলনায় আজ দাম কিছুটা কম। আসলে কিছুদিন আগ পর্যন্ত নতুন করে সবজি উঠছিল না, যা ছিল তা আগের বা পুরাতন গাছের সবজি। নতুন করে কিছু কিছু সবজি উঠতে শুরু করার কারণে দাম কমছে। আমরা যখন যে দামে সবজি কিনি তেমন দামেই বিক্রি করি। কিছুদিন আগে পাইকারি বাজারেই আমাদের বেশি দামে সবজি কেনা লেগেছে তাই বেশি দামেই বিক্রি করেছি, এখন তুলনামূলক কম দামে কিনতে পারছি তাই বিক্রিও করছি কম দামে।

আরেক সবজি বিক্রেতা সাজেদুর রহমান বলেন, সবজির মৌসুমের ওপর দাম নির্ভর করে। শীতের সময় সবজির দাম সবচেয়ে কম থাকে। আর কিছুদিন আগ পর্যন্ত নতুন গাছের সবজি উঠছিল না, পুরাতন গাছের অর্থাৎ শেষ দিককার সবজি ছিল অল্প পরিমাণে তাই বাড়তি দাম গেছে। এখন নতুন গাছের সবজি বাজারে পর্যাপ্ত পরিমাণে আসতে শুরু করেছে। তাই দাম কমতে শুরু করেছে। তবে পরিবহন খরচ কিছুটা কম হলে আর রাস্তার বিভিন্ন খরচ না দেওয়া লাগলে সবজির দাম আরও কম থাকতো।

এএসএস/এমএ