পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষার্থীদের করোনাভাইরাসের টিকার রেজিস্ট্রেশন শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) থেকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে নিবন্ধনের এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, টিকা নিতে যেসব আবাসিক শিক্ষার্থীর তালিকা (সঠিক এনআইডি নম্বরসহ) বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমআইএস ডিজিএইচএস-এ পাঠানো হয়েছিল, সেসব শিক্ষার্থীরা এখন থেকে সুরক্ষা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নিবন্ধন করতে পারবেন।

করোনা টিকার আবেদন করবেন যেভাবে

জানা যায়, বর্তমানে দেশের ৪৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় আছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মোট ২২০টি আবাসিক হল রয়েছে। যেখানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অনেকের বয়স ১৮ বছরের নিচে হওয়ায় তাদের এনআইডি নেই। ফলে তারা টিকা নিবন্ধের জটিলতায় পড়েছেন।

এ বিষয়ে একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, যেসব শিক্ষার্থীর জাতীয় পরিচয়পত্র আছে শুধুমাত্র তারাই রেজিস্ট্রেশন ও টিকা নিতে পারবেন। তাহলে আমরা কীভাবে টিকা নেব? এ বিষয়ে কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি।

জানতে চাইলে ইউজিসি পাবলিকের অতিরিক্ত পরিচালক মো. ফজলুর রহমান বলেন, সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যেসব শিক্ষার্থীর এনআইডি নম্বর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাঠানো হয়েছে, শুধুমাত্র তারাই টিকা নিতে পারবেন। এর বাইরে আমার কিছু বলার এখতিয়ার নেই।

এর আগে গত মে মাসে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. ফেরদৌস জামান ঢাকা পোস্টকে বলেছিলেন, সর্বশেষ কতজন শিক্ষার্থীরা টিকা নিয়েছেন তার সঠিক তথ্য আমাদের কাছে নেই। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অফিশিয়ালি আমাদের জানায়নি। পর্যায়ক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো টিকা দিচ্ছে। সরকার শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দেবে। শিক্ষকদের ৯০ শতাংশের প্রথম ডোজ দেওয়া শেষ হয়েছে।

এনএম/এমএইচএস