দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে ভ্যাক্সিনেশন কার্যক্রমের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত দুই ডোজ টিকা পেয়েছেন ৮ কোটি ৫৮ লাখ ৪ হাজার ৪৪০ জন মানুষ। এছাড়াও এই সময়ে প্রথম ডোজের মাধ্যমে টিকার আওতায় এসেছেন ১২ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ২৩৯ জন। তবে, প্রথম ডোজ নিয়ে দ্বিতীয় ডোজের অপেক্ষায় আছেন ৩ কোটি ৯৩ লাখ ৫৩ হাজার ৭৯৯ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনার টিকাদান বিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা যায়। এতে স্বাক্ষর করেছেন অধিদপ্তরের মেনেজমেন্ট ইনফরমেশন শাখার (এমআইএস) পরিচালক ও লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমান।

এতে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) সারাদেশে ৮ লাখ ৭৭ হাজার ৯৮৩ ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২ লাখ ২ হাজার ৮৭৬ জনকে প্রথম ডোজ এবং ৫ লাখ ৭১ হাজার ২৩৫ জনকে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে। এবং বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়েছে এক লাখ ৩ হাজার ৮৭২ জনকে। এগুলো দেওয়া হয়েছে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা, সিনোফার্ম, ফাইজার, মডার্না এবং জনসন অ্যান্ড জনসনের টিকা।

গত ১ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশে ১২-১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশে এখন পর্যন্ত এক কোটি ৬৯ লাখ ৭৮ হাজার ৫৬৭ জন শিক্ষার্থী টিকার প্রথম ডোজ পেয়েছে। আর দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছে এক কোটি ৩১ লাখ ৬২ হাজার ৫০৩ জন। এদিকে, গত একদিনে ২৬ হাজার ৭৯৪ জন শিক্ষার্থী প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছে। আর দ্বিতীয় ডোজ টিকা পেয়েছে এক লাখ ৭০ হাজার ৫০৩ জন।

এদিকে, দেশে এই পর্যন্ত এক লাখ ৮৩ হাজার ৬৭৪ জন ভাসমান জনগোষ্ঠী টিকার আওতায় এসেছেন। তাদেরকে জনসন অ্যান্ড জনসনের সিঙ্গেল ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, দেশে করোনা টিকার নিবন্ধন শুরু হয় গত ২৭ জানুয়ারি। ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে টিকা কার্যক্রম শুরু হয়। ১৮ বছর বয়সী যেকোনো মানুষ এখন টিকা নিতে পারছেন।

টিআই/আইএসএইচ