ছবি: রয়টার্স

দেশে করোনার প্রাদুর্ভাবের মাস খানেক আগেই চীন থেকে এক কোটিরও বেশি মাস্ক, টিকা ও ভেন্টিলেটর কিনেছিল উত্তর কোরিয়া। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল— চার মাসের বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বেইজিং, সেখানেই উল্লেখ করা হয়েছে এ তথ্য।

গত ১২ মে দেশে প্রথমবারের মতোা করোনার প্রাদুর্ভাবের তথ্য দেয় উত্তর কোরিয়ার সরকারি বার্তাসংস্থা কেসিএনএ। চীনের বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক প্রতিবেদন বলছে, সরকারিভাবে এই তথ্য ঘোষণার এক মাস আগে চীন থেকে ১ কোটি ৬০ লাখ ও ১ হাজার ভেন্টিলেটর আমদানি করেছে উত্তর কোরিয়া।

এছাড়া গত ফেব্রুয়ারিতে উত্তর কোরিয়ায় ৩ লাখ ১১ হাাজর ১২৬ ডলারের করোনা টিকা রপ্তানি করেছে চীন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফেব্রুয়ারিতেই প্রথম উত্তর কোরিয়ায় টিকা রপ্তানি করা হয়েছে।

তবে ফেব্রুয়ারির পর চীন থেকে আর কোনো টিকার চালান যায়নি উত্তর কোরিয়ায়।

রপ্তানি করা করা বিভিন্ন চিকিৎসা উপকরণের মধ্যে প্রায় ৯৫ হাজার থার্মোমিটারও রয়েছে; ২০২১ সালে দেশটি থেকে যে পরিমান থার্মোমিটার আমদানি করেছিল উত্তর কোরিয়া, চলতি বছরের প্রথম চার মাসে তার থেকে ৩৩ গুণ বেশি থার্মোমিটার আমদানি করেছে।

আন্তর্জাতিক বিশ্ব থেকে প্রায় বিচ্ছিন্ন উত্তর কোরিয়া সব দিক থেকেই চীনের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। ২০২০ সালে বিশ্বজুড়ে করোনা মহামারি শুরু হওয়ার পর এই রোগ থেকে সুরক্ষা পেতে সীমান্ত বন্ধ করে উত্তর কোরিয়া।

তবে চীনের বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের শুরু থেকে দেশটির সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ফের শুরু করেছে উত্তর কোরিয়া। ট্রেন ও জাহাজের মাধ্যমে গত চার মাসে উত্তর কোরিয়ায় ৯ কোটি ৮১ লাখ ডলারের পণ্য পাঠিয়েছে চীন।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, চিকিৎসা উপকরণ নেওয়ার জন্য গত সপ্তাহে উত্তর কোরিয়া থেকে ৩ টি বিমান নেমেছিল চীনের বিমানবন্দরে। পণ্য বোঝাই করে ফের পিয়ংইংয়ের দিকে উড়ে যায় বিমানগুলো।

এসএমডব্লিউ