চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থেকে ছেড়ে আস একটি স্পিডবোট কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়ে সন্দ্বীপের গুপ্তছড়া ঘাটের কাছে ডুবে যায়। এ ঘটনায় এখনও নিখোঁজ তিনজনের সন্ধান মেলেনি। 

বুধবার (২০ এপ্রিল) বিকেল পৌনে ৫টার দিকে ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সন্দ্বীপ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাকির হোসেন। তিনি বলেন, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়ে স্পিডবোট উল্টে যায়। 

তিনি বলেন, স্পিড বোটটিতে ২০ জন যাত্রী ছিলেন। এর মধ্যে ১৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনার পরপর নুসরাত জাহান আলিফা (১৩) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া এই ঘটনায় আরও তিনজন নিখোঁজ রয়েছেন। এর মধ্যে দুই শিশু এক নারী রয়েছেন বলে জানতে পারেনি।

পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, সন্দ্বীপের আবহাওয়া ভালো নয়। সাগর এখনও উত্তাল রয়েছে। এ জন্য উদ্ধার অভিযান চালাতে বেগ পেতে হচ্ছে। ৩ জনকে উদ্ধারে জন্য বর্তমানে কোস্ট গার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার কাজ অব্যাহত রেখেছেন। 

এর আগে বুধবার (২০ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়ে স্পিডবোটটি উল্টে যায় বলে জানান গুপ্তছড়া ঘাটের ইজারাদার মো. আনোয়ার। 

তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, সীতাকুণ্ড থেকে সন্দ্বীপের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া একটি স্পিডবোট কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়ে গুপ্তছাড়া ঘাটের কাছাকাছি এসে উল্টে যায়। ভালো আবহাওয়ার মধ্যেই স্পিডবোটটি ছেড়ে গিয়েছিল। এখন পর্যন্ত একটি শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। স্পিড বোটে ২০ জনের মতো যাত্রী ছিলেন। 

কোস্ট গার্ডের পূর্ব জোনের জোনাল কমান্ডার ক্যাপ্টেন কাজী শাহ আলম ঢাকা পোস্টকে বলেন, সন্দ্বীপে গুপ্তছড়া ঘাটের কাছে একটি স্পিডবোট উল্টে গেছে। এ ঘটনার পরে থেকে আমাদের অভিযান চলছে।।

স্পিডবোটের যাত্রী নিহত আলিফার মা পান্না আক্তার সাংবাদিকদের বলেন, আমরা একসঙ্গে স্পিডবোট ছিলাম। হঠাৎ করে বোটটি উল্টে যায়। আমি ফিরে আসতে পারলেও মেয়েকে বাঁচাতে পারলাম না। 

কেএম/এসকেডি