বাঁয়ে কলেজছাত্র রুবায়েদ, ডানে ছিনতাইকারী পায়েল

এক কলেজছাত্রের সাহসিকতায় পায়েল হোসেন (২১) নামে এক ছিনতাইকারী ধরা পড়েছেন। এ সময় তার কাছ থেকে একটি ছোরা ও ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) রাতে উত্তরা পশ্চিম থানার ১০ নম্বর সেক্টরের স্লুইস গেইট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ।

উত্তরা পশ্চিম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন জানান, গ্রেপ্তার ছিনতাইকারী পায়েল পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া থানার মো. আলমের ছেলে। তিনি তুরাগের চাঞ্চল্যকর একটি গণধর্ষণ মামলার আসামি। সেই মামলায় জামিনে বেরিয়েই ছিনতাই করতে গিয়ে তিনি ধরা পড়েন।

ঘটনার বিবরণ দিয়ে ওসি বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে ১০ নম্বর সেক্টরের স্লুইসগেট এলাকার রাস্তায় মুঠোফোনে কথা বলছিলেন কলেজ শিক্ষার্থী সাজেদুর রহমান রুবায়েদ। এ সময় মোটরসাইকেল আরোহী ছিনতাইকারী পায়েল তার মুঠোফোন টান দেন। কিন্তু রুবায়েদ ফোন ছাড়েননি। ধরা পড়ার আশঙ্কায় পিয়াল তার হাতে ছুরি মেরে জখম করেন। 

পরে ফোন ছেড়ে দিলেও দৌড়ে সেই মোটরসাইকেল ধরে ফেলেন রুবায়েদ। এ সময় মোটরসাইকেলটি রুবায়েদকে টেনে-হিঁচড়ে প্রায় ৫০০ ফুট নিয়ে যায়। পরে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজনের সহযোগিতায় পুলিশ ছুটে এসে ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করে।

ছিনতাইয়ের শিকার ভুক্তভোগী রুবায়েদ কুমিল্লা অধ্যাপক আবদুল মজিদ কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। গ্রেপ্তার পায়েলের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

জেইউ/আরএইচ