ফাইল ছবি

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার জরুরি ১৮ দফা নির্দেশনা জারি করেছে। এতে উচ্চ সংক্রমণযুক্ত এলাকায় জনসমাগম নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সোমবার (২৯ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখ্য সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে সই করেছেন। নির্দেশনায় বলা হয়, সব ধরনের জনসমাগম (সামাজিক/রাজনৈতিক/ধর্মীয়/অন্যান্য) সীমিত করতে হবে। এছাড়া বিয়ে-জন্মদিনসহ যেকোনো সামাজিক অনুষ্ঠান উপলক্ষে জনসমাগম নিরুৎসাহিত করতে বলা হয়েছে।

এ নির্দশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে (কমপক্ষে ২ সপ্তাহ) বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

গত দুই সপ্তাহ ধরে দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী। অনেকেই মনে করছেন, এবারের সংক্রমণের সঙ্গে করোনার নতুন ধরনের যোগসূত্র রয়েছে। যার কারণে শনাক্তের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে।

এ অবস্থায় কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি না মানলে সামনে বড় বিপদের আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। গেল জানুয়ারিতেই দেশে সংক্রমণের হার ৩ শতাংশের নিচে নেমেছিল। কিন্তু গত কয়েকদিনের ব্যবধানে তা আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গেছে। আগে যাদের মৃত্যু হতো তাদের বেশিরভাগই ছিল বয়োবৃদ্ধ এবং নানা রোগে আক্রান্ত। কিন্তু এখন সংক্রমণের ক্ষেত্রে উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে আক্রান্ত ও মৃতদের বেশিরভাগই যুবক।

স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে রোববার (২৮ মার্চ) পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আরও ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা চলতি বছরে করোনায় সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড। এদিন আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হন তিন হাজার ৭৩৭ জন।

নতুন করে সংক্রমণ বাড়ায় বিধিনিষেধ আরোপে জোর দিচ্ছিলেন বিশেষজ্ঞরা। এ অবস্থায় রোববার কিছু বিষয়ে কড়া বিধিনিষেধ আরোপের ইঙ্গিত দেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

এসএসএইচ/এমএমজে