• সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • সারাদেশ
    জেলার খবর
  • খেলা
  • বিনোদন
  • জবস

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

  1. জাতীয়
  2. চট্টগ্রাম

চসিকে অনুমতি ছাড়া পোস্টার, ব্যানার বা সাইনবোর্ড টানালে আইনি ব্যবস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
৫ অক্টোবর ২০২৫, ২১:৪২
অ+
অ-
চসিকে অনুমতি ছাড়া পোস্টার, ব্যানার বা সাইনবোর্ড টানালে আইনি ব্যবস্থা

চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে অনুমতিবিহীন পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন ও সাইনবোর্ড উচ্ছেদ করছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)।

বিজ্ঞাপন

রোববার (৫ অক্টোবর) নগরের কাজীর দেউড়ি মোড়, চেরাগী পাহাড়, আন্দরকিল্লা, লালদিঘী, চকবাজারসহ নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় চলমান বেআইনি পোস্টার, ব্যানার, সাইনবোর্ড উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এসময় চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ক্লিন সিটি গড়তে আমরা বদ্ধপরিকর। আমরা চাই শহরকে সুন্দর রাখতে সবাই যেন সচেতন হয়। যারা অনুমতি ছাড়া ব্যানার-পোস্টার টানাচ্ছে, তারা যেন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেগুলো সরিয়ে ফেলে। ভবিষ্যতে অনুমতি ছাড়া কোনো পোস্টার, ব্যানার বা সাইনবোর্ড টানালে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, শহরের সৌন্দর্য রক্ষা করতে হলে নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে। সিটি কর্পোরেশন থেকে অনুমতি না নিয়ে কেউ যেন ব্যানার-পোস্টার না লাগায়। যদি কেউ বিজ্ঞাপন দিতে চায়, তাহলে সেটা অনুমতি নিয়ে করবে। আমরা চাই প্রতিটি প্রতিষ্ঠান, কোচিং সেন্টার কিংবা ব্যক্তিগত ব্যবসা– সবকিছুই আইনের আওতায় আসুক।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

জঙ্গল সলিমপুরে দুই সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলা
চট্টগ্রামে বসতঘরে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৪ ইউনিট
‎টানেলের ভেতরে বাস উল্টে কয়েকজন আহত

মেয়র বলেন, আমি নিজেই প্রতি মাসে অন্তত একবার মাঠে নামি এ ধরনের অভিযান পরিচালনার জন্য। কারণ, এই শহর আমাদের নিজের শহর। যদি আমরা নিজের শহরের প্রতি দায়িত্বশীল হই তাহলে কেউই শহরকে নোংরা রাখতে পারবে না। ব্যানারের কারণে কত সুন্দর দৃশ্য ঢেকে গেছে— সবুজ গাছপালা, রাস্তার সৌন্দর্য। এসব সরানোর পরই বোঝা যায় শহর কত সুন্দর হতে পারে।

উদাহরণ টেনে ডা. শাহাদাত বলেন, অনেক প্রতিষ্ঠান কোনো অনুমতি ছাড়াই অসংখ্য ব্যানার টানিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান অন্যদেরও উৎসাহিত করছে অবৈধভাবে ব্যানার টানাতে। আমরা চাই তারা যেন দ্রুত সিটি কর্পোরেশনের অনুমতি নিয়ে আইন মেনে চলে।

বিজ্ঞাপন

তিনি জানান, পূজার সময় অনেকেই শুভেচ্ছা ব্যানার দিয়েছেন। সেগুলোর জন্য নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হয়েছিল কিন্তু পূজার পর এসব ব্যানার সরিয়ে ফেলতে হবে। আমরা প্রতিটি উৎসবকে সম্মান করি, তবে শহরের সৌন্দর্যের প্রশ্নে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

মেয়র বলেন, আমরা চাই চকবাজার জোনটিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সমৃদ্ধ ক্লিন, গ্রিন ও হেলদি জোনে পরিণত করতে। এজন্য যত্রতত্র ব্যানার-পোস্টার বন্ধ করতে হবে। এর পরিবর্তে ডিজিটাল বোর্ড বা এলইডি স্ক্রিনের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচারের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে সৌন্দর্য নষ্ট না হয় এবং ব্যবসায়ীরাও নিয়ম মেনে প্রচার করতে পারেন।

ডা. শাহাদাত বলেন, সিটি কর্পোরেশন একা কিছু করতে পারবে না। নাগরিকদের সহযোগিতা ছাড়া নগরকে পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব নয়। আমরা নিজেদের রাজস্ব দিয়ে রাস্তা, নালা, খাল পরিষ্কার ও জলাবদ্ধতা নিরসনের কাজ করছি। সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে, ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে হবে, রাজস্ব দিতে হবে, তবেই শহর এগিয়ে যাবে।

মেয়র দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, চট্টগ্রামে ৮০ শতাংশ কোচিং সেন্টার কোনো অনুমতি ছাড়াই পোস্টার-ব্যানার লাগায়। মাত্র ২০ শতাংশ প্রতিষ্ঠান নিয়ম মেনে কর্পোরেশনের অনুমোদন নেয়। এতে সিটি কর্পোরেশন বিপুল রাজস্ব হারাচ্ছে। অথচ একটি ব্যানারের জন্য মাত্র এক-দুই হাজার টাকা কর দিলেই যথেষ্ট। সেই অর্থ দিয়েই কর্পোরেশন শহরকে পরিষ্কার ও সবুজ রাখতে কাজ করে।

আরএমএন/এসএসএইচ

অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন

চট্টগ্রামের খবরচট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন

ফলো করুন

MessengerWhatsAppGoogle News

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

হালদা নদীতে অভিযান চালিয়ে ১১টি চরঘেরা জাল জব্দ

হালদা নদীতে অভিযান চালিয়ে ১১টি চরঘেরা জাল জব্দ

চসিক মেয়রের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ভারতীয় ডেপুটি হাইকমিশনার

চসিক মেয়রের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ভারতীয় ডেপুটি হাইকমিশনার

মহিষ চড়ানো নিয়ে বিরোধে কিশোর খুন, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

মহিষ চড়ানো নিয়ে বিরোধে কিশোর খুন, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

সারাদেশে খাল খননে বড় ধরনের বাজেট বরাদ্দ রাখা হয়েছে : অর্থমন্ত্রী

সারাদেশে খাল খননে বড় ধরনের বাজেট বরাদ্দ রাখা হয়েছে : অর্থমন্ত্রী