চট্টগ্রাম-১১ আসনে বিএনপি-জামায়াতসহ ৮ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ, বাতিল ৪
চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীসহ আটজনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীসহ চারজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাখাওয়াৎ হোসেন।
বিজ্ঞাপন
বৈধ ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন– বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ শফিউল আলম, জাতীয় পার্টির আবু তাহের, বাসদের (মার্কসবাদী) দীপা মজুমদার, গণফোরামের উজ্জ্বল ভৌমিক, ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের আবু তাহের, বাসদের নিজামুল হক আল কাদেরী এবং ইনসানিয়াত বিপ্লবের আজিজ মিয়া।
এছাড়া মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন– স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর ভূঁইয়া, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. নূর উদ্দিন, গণঅধিকার পরিষদের মুহাম্মদ নেজাম উদ্দিন এবং বিএনপির দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে মনোনয়ন দেওয়া এ কে এম আবু তাহের।
বিজ্ঞাপন
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর ভূঁইয়ার মনোনয়নপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত এক শতাংশ ভোটার যাচাইয়ে পাঁচজন ভোটারকে পাওয়া যায়নি। এ কারণে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. নূর উদ্দিনের মনোনয়নপত্রে তার নাম, আসন ও ভোটার নম্বর উল্লেখ না থাকায় সেটিও বাতিল করা হয়েছে। এ ছাড়া ঋণ খেলাপি থাকায় বিএনপির এ কে এম আবু তাহের এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের কাছে বকেয়া ৯৭ হাজার ১৭৫ টাকা পরিশোধ না করায় গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মুহাম্মদ নেজাম উদ্দিনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাখাওয়াৎ হোসেন জানান, এ আসনে মোট ১২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। এর মধ্যে চারজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তবে বাতিল হওয়া প্রার্থীরা আপিল করার সুযোগ পাবেন।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে গণভোট। নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৯ ডিসেম্বর, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের শেষ তারিখ ১১ জানুয়ারি।
এতে আরও বলা হয়, আপিলের শুনানি ১২ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। ২১ জানুয়ারি রিটার্নিং কর্মকর্তা কর্তৃক চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ বলেও ঘোষণায় জানানো হয়। ২২ জানুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চলবে।
এমআর/বিআরইউ