বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে সদ্য তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করা ডা. মুরাদ হাসানের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামেও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার আবেদন করা হয়েছে। একই আবেদনে আসামি হিসেবে মুহাম্মদ মহিউদ্দিন হেলাল নাহিদের নামও রয়েছে। 

রোববার (১২ ডিসেম্বর) চট্টগ্রামের সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক এসকে. এম তোফায়েল হাসানের আদালতে মামলার আবেদন করা হয়েছে। 

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমানকে নিয়ে 'কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর’ মন্তব্য করায় এ মামলার আবেদন করেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম চট্টগ্রামের সভাপতি অ্যাডভোকেট এ এস এম বদরুল আনোয়ার। ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার বাদী অ্যাডভোকেট এ এস এম বদরুল আনোয়ার। 

মামলার বাদী জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম চট্টগ্রামের সভাপতি অ্যাডভোকেট এ এস এম বদরুল আনোয়ার ঢাকা পোস্টকে  বলেন, ‘ব্যারিস্টার জাইমা রহমান নিয়ে ডা. মুরাদ কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর মন্তব্য করেছেন। তিনিসহ দুই জনের বিরুদ্ধে তাই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ২৫, ২৯  ৩০ ও ৩১ ধারায় সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলার আবেদন করা হয়েছে। মামলাটি আদেশের জন্য আদালত রেখেছেন। 

মামলার আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আসামিরা ফেসবুক লাইভে ‘উদ্দেশ্যমূলকভাবে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান সম্পর্কে অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ, নারীবিদ্বেষী এবং যেকোনো নারীর জন্য মর্যাদাহানিকর ভাষা’ ব্যবহার করেছেন।

এতে বলা হয়েছে, ডা. মুরাদ হাসানের দেওয়া এবং মুহাম্মদ মহিউদ্দিন হেলাল নাহিদ ধারণ করা সাক্ষাৎকারটি পরবর্তী সময়ে মুরাদ হাসান তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রচার ও প্রকাশ করে জিয়া পরিবার তথা জিয়া পরিবারের কনিষ্ঠ সদস্য ব্যারিস্টার জাইমা রহমান এবং সর্বোপরি নারী সমাজের প্রতি অবমাননাকর, অপমানজনক এবং আইনত শাস্তিযোগ্য।

এদিকে একই অভিযোগে ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতের সেরেস্তায় ডা. মুরাদ হাসানের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার আবেদন করা হয়েছে। একই আবেদনে আসামি হিসেবে মুহাম্মদ মহিউদ্দিন হেলাল নাহিদের নামও রয়েছে।

কেএম/জেডএস